প্রস্তাব পেলে তামিমকে না করবেন না সুজন

বাংলাদেশ ক্রিকেট
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন, খালেদ মাহমুদ সুজন ছিলেন অধিনায়কও। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে কোচ, ক্রিকেট সংগঠক, বিসিবি পরিচালক পরিচয়ও পেয়েছেন সুজন। বর্তমান ক্রিকেট একাডেমিতে কাজ করছেন নতুন ক্রিকেটার তৈরির পেছনের নায়ক হিসেবে। বোর্ড থেকে পদত্যাগ করার পর বিসিবি থেকে বেশ খানিকটা দূরে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক। কোচিংকে পেশা বানানো সুজন সুযোগ পেলে কাজ করতে চান বোর্ডের অধীনে। তামিম ইকবালের প্রস্তাব পেলে সেটা ইতিবাচকভাবে চিন্তা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

সুজনকে নিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে সমালোচনা যেমন আছে আবার দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে তার অবদানের কথাও লেখা আছে। কোচিংয়ে যুক্ত হওয়ার পর অনেক ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার গড়ার পেছনে অবদান ছিল তার। অনেক আনকোরা প্রতিভাও খুঁজে বের করেছেন তিনি। যারা কিনা পরবর্তীতে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন, তারকা বনে গেছেন। ২০১৩ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে বিসিবির পরিচালক ছিলেন সুজন।

কাজ করেছেন গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির হিসেবে। তার সময়ে ২০২০ সালে আকবর আলীর নেতৃত্বে প্রথমবার যুব বিশ্বকাপ জিতে বাংলাদেশ। ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে যুক্ত আছেন ক্লাবের সঙ্গে। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে জাতীয় দলের প্রধান কোচ, অন্তবর্তীকালীন কোচ, সহকারী কোচ, টিম ম্যানেজার ও টিম ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন। কোচ হিসেবে ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশ সুনামও রয়েছে তার।

আবাহনীকে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) চ্যাম্পিয়ন করেছেন। সুজনের কোচিংয়ে বিপিএলে শিরোপা উঁচিয়ে ধরে সাকিব আল হাসানের ঢাকা ডায়নামাইটস। তবে সবশেষ কয়েক বছরে কোচিংয়ে সময়টা একবারে ভালো যাচ্ছে না। দুর্দান্ত ঢাকা, নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও ঢাকা ক্যাপিটালসের মতো দলগুলো তার অধীনে একেবারেই পারফর্ম করতে পারেনি। তবে তামিম যদি কোচ হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেটে যুক্ত করতে চান তাহলে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেবেন না সুজন।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘যেহেতু আমি ক্রিকেটের মানুষ, ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে ক্রিকেট খেলছি, ক্রিকেট মাঠ ছাড়িনি। ক্রিকেট খেলাছাড়ার পর কোচিংয়ে এসেছি, সংগঠক হিসেবে আমি এত বছর ধরে কাজ করছি। আমার অভিজ্ঞতা যদি তামিম চায় অবশ্যই এটা না করার কিছু নেই। এটা (কোচিং) আমার পেশা। যদি ওরকম কিছু চায় অবশ্যই আমি চিন্তা করব। আমি ইতিবাচক চিন্তা করব যে ভালো কিছু করতে চাই। আমিও চাই বোর্ডকে সাপোর্ট করতে, ক্রিকেটকে সাপোর্ট করতে।’

২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বিসিবির পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন সুজন। এরপর থেকে কোচ হিসেবে বেশ কয়েকবারই মিরপুরে গিয়েছিলেন তিনি। তবে ৯ এপ্রিল বিসিবিতে গিয়েছিলেন ভিন্ন ভূমিকায়। বিসিবির এডহক কমিটির প্রধান তামিমের ফোনে মিরপুরে গিয়েছিলেন তিনি। প্রায় ২১ মাস পর বিসিবিতে যেতে পেরে ভালো লাগছে সুজনের।

তামিমের ফোন কল নিয়ে সুজন বলেন, ‘কোনো মিটিংয়ে যাইনি। আসলে তামিম ফোন করে বলেছিল আপনি বোর্ডে আসেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন সিসিডিএমের মিটিংয়ে নাকি? ও বলল মিটিং না, আপনি আমার সাথে দেখা করতে আসেন। আপনার সাথে আমার অনেক কথা আছে।’

আরো পড়ুন: