সবশেষ কয়েক মাসে ব্যাট হাতে দারুণ সময় পার করেছেন ফারহান। নিয়মিত পারফর্ম করে টি-টোয়েন্টি দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছেন। পাকিস্তান দল হিসেবে প্রত্যাশিতভাবে পারফর্ম করতে না পারলেও ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। এমন পারফরম্যান্সের পর ওয়ানডে দলে সুযোগ হয়েছে ফারহানের। জাতীয় দলের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে ভালো করার পাশাপাশি বিপিএলেও খেলছেন।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে বিপিএল খেলা ফারহানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় পাকিস্তান। প্রথম ওয়ানডেতে তাই অভিষেক হচ্ছে ডানহাতি ওপেনারের। ফারহানের পাশাপাশি বিপিএলে খেলেছেন সাদাকাত। নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হয়ে অবশ্য প্রত্যাশিতভাবে পারফর্ম করতে পারেনি। স্কোয়াডে রাখার পাশাপাশি তরুণ অলরাউন্ডারের অভিষেকের কথা নিশ্চিত করেছেন শাহীন আফ্রিদি।
প্রথম ওয়ানডেতে ফারহানের সঙ্গে ওপেন করবেন সাদাকাত। তিনে অভিষেক হচ্ছে আরেক ক্রিকেটারের। বাবর আজম না থাকায় সুযোগটা হচ্ছে শামিলের। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ১৩ ম্যাচে ২ সেঞ্চুরি ও তিনটি হাফ সেঞ্চুরি করেই সুযোগ পেয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। তাদের সহজাত খেলা দেখতে মুখিয়ে আছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক।
শাহীন আফ্রিদি বলেন, ‘তিনজনের অভিষেক হচ্ছে নিশ্চিতভাবেই। সাহিবজাদা ফারহান থাকবে সেখানে। টি-টোয়েন্টিতে সে শীর্ষ পারফরমারদের একজন এবং পাকিস্তানে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটেও ভালো করছে। তার সঙ্গে ইনিংস ওপেন করবে মাজ সাদাকাত। ওয়ান ডাউনে খেলবে শামিল হুসাইন।’
‘তিনজন অভিষিক্ত থাকবে। আশা করি, তারা সহজাত ক্রিকেট খেলবে এবং নিজেদের স্কিল মেলে ধরবে। দল হিসেবেও আমরা রোমাঞ্চিত পাকিস্তানের হয়ে তাদেরকে দেখতে, শুধু এই সিরিজে নয়, ভবিষ্যদের জন্যও।’
বাংলাদেশ সফরে ওয়ানডেতে অভিষেক না হওয়া ৬ ক্রিকেটারকে নিয়ে এসেছে পাকিস্তান। ফারহান, সাদাকাত ও শামিলের অভিষেকের বাঁশি বাজলেও অপেক্ষা করতে হচ্ছে সাদ মাসুদ, আব্দুল সামাদ ও মুহাম্মদ গাজী ঘোরি। দলের প্রয়োজন ও পিচের অবস্থা বুঝে তাদের অভিষেকের ব্যাপারে ভাবা হবে বলে জানিয়েছেন অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদি।