সাম্প্রতিক সময়ে ওয়ানডেতে সময়টা তেমন ভালো যাচ্ছে না বাংলাদেশের। গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বাজেভাবে বিদায়ের পর বাংলাদেশ টানা দুই সিরিজ হেরেছে শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এরপর ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে কিছুটা ছন্দে ফেরার আভাস দিলেও ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা এখনো অনিশ্চিত দলটির।
বাংলাদেশের শক্তিমত্তার কথা উল্লেখ করে আফ্রিদি বলেন, 'যেকোনো দলই নিজেদের কন্ডিশনে সেরা। বাংলাদেশ ভালো দল এবং তারা ঘরের মাঠে খুব ভালো ক্রিকেট খেলেছে, সম্প্রতি ওয়েস্ট ইন্ডিজকেও হারিয়েছে। তবে দল হিসেবে আমরাও প্রস্তুত। আমরা সম্প্রতি সাউথ আফ্রিকা এবং শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওডিআই খেলেছি এবং ভালো ক্রিকেট খেলেছি। আমরা শুধু সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই।'
এই সিরিজে পাকিস্তান দলে নেই বাবর আজমের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটার। তার জায়গায় দলে সুযোগ পেয়েছেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ছয় ক্রিকেটার। তারা হলেন আব্দুল সামাদ, মাআজ সাদাকাত, মুহাম্মদ গাজি ঘোরি, সাদ মাসুদ, সাহিবজাদা ফারহান ও শামিল হুসাইন।
আফ্রিদি বলেন, 'এই সিরিজের জন্য কাউকে (বাবর আজম) বাদ দেয়া হয়নি। আমরা শুধু আমাদের তরুণ খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে চেয়েছি, তারাই আমাদের ভবিষ্যৎ। আমরা বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের সুযোগ দিতে চাই। আমি মনে করি যখন সময় আসবে তারা তাদের ভূমিকা এবং ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের জন্য কী পরিকল্পনা আছে তা জানবে। আমাদের শুধু বিশ্বকাপের জন্য দল প্রস্তুত করতে হবে এবং তরুণদের জন্য এটি তাদের দক্ষতা দেখানোর একটি সুযোগ।
বাংলাদেশের বিপক্ষে নতুন ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেন আফ্রিদি, 'তাদের এখানে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। সাহিবজাদা এখানে খেলেছে, হাসিবুল্লাহ খেলেছে। গত বছরও বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় খেলেছে। আমার মনে হয় তাদের জন্য মানিয়ে নেয়া সহজ হবে কারণ তারা এই মাঠে এবং পিচে খেলেছে এবং কন্ডিশন সম্পর্কে জানে। আশা করি তারা তাদের সেরা ক্রিকেট খেলবে।'
এদিকে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অসাধারণ ফর্মে আছেন মুস্তাফিজুর রহমান। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কন্ডিশনে তাকে নিয়ে অবশ্য চিন্তিত নন আফ্রিদি।
তিনি বলেন, 'আমি মনে করি ব্যাটাররা মুস্তাফিজকে খুব ভালো করেই চেনে। সম্প্রতি তার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি এবং পিএসএলেও খেলেছে। তাই আমাদের ব্যাটারদের জন্য খুব বেশি সমস্যা হবে না। তারা পরিস্থিতি অনুযায়ী তাদের স্বাভাবিক খেলাটাই খেলবে।'