জেমস কোলস—
ঘরোয়া ক্রিকেটে সাসেক্সের হয়ে খেলা জেমস কোলসকে ইংল্যান্ডের সম্ভাবনাময়ী ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ২১ বছর বয়সি স্পিন বোলিং অলরাউন্ডার ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখনো পর্যন্ত ২৯ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন। মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করলেও ৩২ গড় ও ১৫৬ স্ট্রাইক রেটে রান তুলেছেন তিনি। ইংল্যান্ডে জন্ম হলেও পেসের চেয়ে স্পিনটা একটু বেশিই ভালো খেলেন কোলস। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বাঁহাতি স্পিনে ৮.১৮ ইকনোমি রেটে ২৮ উইকেট নিয়েছেন।
থমাস রেউ—
ইংল্যান্ডের তরুণ ক্রিকেটারদের মধ্যে যাদেরকে ভবিষ্যতের তারকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে থমাস রেউ তাদের মধ্যে অন্যতম একজন। চলতি বছর হওয়া অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়েছেন ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার। সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরিও করেছিলেন। পুরো টুর্নামেন্টে ১০৫ স্ট্রাইক রেট ও ৬৬ গড়ে করেছিলেন ৩৩০ রান।
ঘরোয়াতে সমারসেটের হয়ে খেলা রেউ তুলনামূলক স্পিনারদের বিপক্ষে দ্রুত রান তোলেন। যেখানে স্পিনারদের বিপক্ষে ১০৮ ও পেসারদের বিপক্ষে স্ট্রাইক রেট ১০০। স্পিনারদের বিপক্ষে স্কয়ার অব দ্য উইকেটে বেশ ভালো খেলেন ১৮ বছর বয়সি এই তরুণ। উইকেটকিপিংয়েও বেশ দক্ষ তিনি। যুব বিশ্বকাপে রেউয়ের নামের পাশে আছে ১৪ ডিসমিসাল। যদিও নিলামে থাকা রেউ এখনো পর্যন্ত মাত্র তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।
সনি বেকার—
২০২২ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে দ্য হান্ড্রেডে অভিষেক গয় সনি বেকারের। সেবার সাউদার্ন ব্রেভের হয়ে তিন ম্যাচ খেলেছিলেন ডানহাতি এই পেসার। চোট ও ফর্মের কারণে সেভাবে ম্যাচ খেলা হয়নি তার। তবে গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার অরিজিনালসের হয়ে ৭ ম্যাচ খেলে ৯ উইকেট নিয়েছিলেন। ২০২৫ দ্য হান্ড্রেডে কেবলমাত্র রাইলি মেরিডিথ ও জফরা আর্চার বেকারের চেয়ে প্রতি ঘণ্টায় ৮৭ মাইলে উপরে গতিতে বোলিং করেছেন।
ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফর্ম করে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া বেকারে গত বছরের সেপ্টেম্বরে লিডসে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয়। শুধু গতিই নয়, নতুন বলে দুই দিকেই সুইং করানোর দক্ষতা আছে ২২ বছর বয়সি ডানহাতি এই পেসার। পাশাপাশি স্লোয়ার ডেলিভারিতেও ব্যাটারকে বোকা বানাতে পারেন বেকার।
স্কট কারি—
দ্য হান্ড্রেডের সবশেষ দুই আসরে বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন স্কট কারি। ২২ গড়ে নিয়েছেন ১৬ উইকেট। যেখানে প্রতি বলে ১.৪৫ রান খরচা করেছেন। শীতে ইংল্যান্ড লায়ন্সের হয়েও পারফর্ম করেছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাকিস্তান শাহীন্সের বিপক্ষে ৩ ম্যাচে ৬ উইকেট নিয়েছেন। কারির সবচেয়ে ভালো গুণ হচ্ছে গতিতে ব্যাটারদের ভড়কে দেওয়া।
গতিময় বোলিংয়ের সঙ্গে অফ কাটারেও দক্ষ। প্রতি ঘণ্টায় ৭৫ মাইলের নিচের গতিতে বোলিং করে ৮ উইকেট নিয়েছেন। যেখানে গড় মাত্র ১৬। স্লোয়ার ডেলিভারিতে কারির ইকনোমি রেট প্রতি বলে ১.৩৪। গত দুই আসরে স্লোয়ার ডেলিভারিতে কারির চেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন কেবল স্যাম কারান ও ডেভিড পেইন।
অ্যাসা ট্রাইব—
এখনো দ্য হান্ড্রেডে অভিষেক হয়নি অ্যাসা ট্রাইবের। তবে গত গ্রীষ্মে গ্ল্যামারগণের হয়ে সব ফরম্যাটেই পারফর্ম করেছেন ২১ বছর বয়সি এই ব্যাটার। ইংল্যান্ড লায়ন্সের হয়েও প্রতিভার ছাপ রেখেছেন। লোয়ার অর্ডারে ৩৮ গড় ও ১৫৩ স্ট্রাইক রেটে রান করেছেন। সাউথ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টিতে অবশ্য নিজের খানিকটা ঝলক দেখিয়েছেন। এক ম্যাজে ৩৪ বলে ৫১ এবং অন্য আরেকটি ম্যাচে ১৬ বলে অপরাজিত ৩০ রান করেছিলেন। পেসারদের বিপক্ষে যখন লোয়ার অর্ডারে ব্যাটিং করেন তখন ট্রাইবের স্ট্রাইক রেট প্রায় দুইশ।