টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৬৪ রান সংগ্রহ করে সেন্ট্রাল জোন। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৯ রান করেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ। এ ছাড়া মাহফিজুল ইসলাম রবিন করেন ৬৩ রান এবং অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন খেলেন ৬৭ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস।
এদিন বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন তানভির ইসলাম ও সৌম্য সরকার। দুজনেই দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন। তবে উইকেট পাননি মুস্তাফিজুর রহমান। তবে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে ঠিকই চাপে রেখেছিলেন এই কাটার মাস্টার। সাউথ জোনের হয়ে একটি উইকেট নিয়েছেন রবিউল হক। এদিন অধিনায়ক মিরাজও ৫ ওভার হাত ঘুরিয়ে উইকেট শূন্য থাকেন।
২৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই সৌম্য সরকারকে হারায় সাউথ জোন। বাঁহাতি এই ওপেনার রানের খাতাই খুলতে পারেননি। তবে জাওয়াদ আবরার ও আনিসুল ইসলাম দলের শুরুর ধাক্কা সামাল দেন। তবে দুজনেই হাফ সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপে পুড়েছেন। জাওয়াদ ৪০ এবং ইমন ৪৩ রান করে ফিরে যান।
দলীয় ১০৮ রানে তৃতীয় উইকেট পড়লে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অভিজ্ঞ আফিফ ও মিঠুন। চতুর্থ উইকেটে দুজনে অবিচ্ছিন্ন ১৫৯ রানের জুটি গড়েন। তাতেই ৪.৩ ওভার হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় সাউথ জোন। আফিফ মাত্র ৮৬ বলে ৮টি চার ও ৫টি ছক্কায় ঠিক ১০০ রান করে অপরাজিত থাকেন। অন্যদিকে মিঠুন ৬৫ বলে ৭টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৭২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন।