মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনা দিয়ে শুরু হওয়া জটিলতার পর বাংলাদেশের ম্যাচ ভেন্যু শ্রীলঙ্কায় সরানোর আবেদন নাকচ করে আইসিসি। এর মধ্য দিয়েই শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের পুরুষ দলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্বপ্ন। টুর্নামেন্টের প্রথম আসর থেকে নিয়মিত অংশ নেয়া বাংলাদেশ এবারই প্রথম বিশ্বকাপে খেলবে না।
বিশ্বকাপ মিস করায় পুরুষ দলের ক্রিকেটারদের জন্য খারাপ লাগার কথা জানিয়েছেন নারী দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। কোয়ালিফায়ার শেষে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে তিনি নিজের আফসোসের কথা জানান।
জ্যোতি বলেন, 'অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলা একজন খেলোয়াড়ের জন্য অনেক বড় একটা বিষয়। যখন সেটা করতে না পারে, তখন খারাপ লাগাটাই স্বাভাবিক। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমার খারাপ লেগেছে, পুরো দলের অনেকেরই খারাপ লেগেছে।'
তবে বাস্তবতা মেনে নেয়ার কথাও বলেছেন জ্যোতি। তার ভাষায়, 'এখন বাস্তবতা দেখতে হবে। যেটা হচ্ছে, সেটা আমাদের মেনে নেয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। আমার মনে হয়, এই মুহূর্তে ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।'
এদিকে নারী দলের সাফল্যের পেছনে ভাগ্য ও পরিশ্রম- দুটোকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন জ্যোতি। টানা সাত জয় পাওয়া নিয়েও উচ্ছ্বসিত বাংলাদেশের অধিনায়ক।
তিনি বলেন, 'যা আমাদের নসিবে আছে, আল্লাহ পাক যদি সম্মান দিতে চান, সেটা কারও কাছ থেকে চেয়ে নিতে হয় না। এই জায়গায় আসার পেছনে পুরো কৃতিত্বই মেয়েদের, কারণ সবার পরিশ্রম, ডেডিকেশন আর ইচ্ছাশক্তি ছিল অনেক বেশি।'
নারী ক্রিকেটে আলোচনার সীমাবদ্ধতা নিয়েও বাস্তব অবস্থান তুলে ধরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। জ্যোতির কথায়, 'আমরা ভালো করলে তেমন একটা লাইমলাইটে আসি, না করলে একদমই আসি না। তাই আমাদের কাজ একটাই—মাঠে ভালো ক্রিকেট খেলা। আমরা সেটাতেই মনোযোগ রাখি।'