আসন্ন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত নারী দলের ক্রিকেটাররা। তবে বিশ্বকাপে শুধু অংশগ্রহণই লক্ষ্য নয় দলটির। বরঞ্চ মাঠের লড়াই অব্যাহত রেখে জয় তুলে নিতে চায় জ্যোতিরা।
তিনি বলেন, 'আমরা শুধুমাত্র কম্পিট (প্রতিযোগিতা) করতে ইংল্যান্ডে যাব না। আমরা ম্যাচ জিততে চাই। অবশ্যই একটা ইমপ্যাক্টফুল বিশ্বকাপ দেশকে উপহার দিতে চাই।'
তবে বিশ্বকাপে খেলতে যাওয়ার আগে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক সিরিজ খেলতে চায় বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক সিরিজের বদলে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলার সুযোগ পেলেও সেটি লুফে নিতে চায় জ্যোতিরা।
জ্যোতি আরো বলেন, 'দল হিসেবে বা ব্যক্তিগতভাবে আমারও চাওয়া আমরা যেন একটা প্রতিযোগিতামুলক টুর্নামেন্টে খেলতে পারি। সেটা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ হোক বা কোনো টুর্নামেন্ট হোক। এটা দলকে অনেক বুস্ট (অনুপ্রাণিত) করবে। আমাদের প্রস্তুতিও ভালো হবে।'
'আমাদের লক্ষ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল হিসেবে আমরা কীভাবে আরো ভালো পারফর্ম করতে পারি। বিশ্বকাপে ভালো করতে হলে আমাদের প্রস্তুতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এর আগে কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাচ আমরা খেলে যেতে চাইব।'
সদ্য সমাপ্ত এই আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই যুক্তরাষ্ট্রকে হারায় বাংলাদেশ। ২১ রানের সেই জয় পাওয়ার পরের ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে ৩০ রানে জিতে বাংলাদেশ। তারপর নামিবিয়াকে জ্যোতিরা হারায় ৮০ রানে।
এরপরের ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ রানে জিতে বাংলাদেশ। তারপর থাইল্যান্ডকে তারা হারায় ৩৯ রানে। নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ জিতে ৯০ রানে। আজ নিজেদের শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে বাংলাদেশ হারায় সাত উইকেটে।
টুর্নামেন্টে নিজেদের যাত্রা নিয়ে জ্যোতি আরো বলেন, 'নেপালে আসার আগে প্রথমে আমাদের পরিকল্পনা ছিল ঠিকমতো কোয়ালিফাই করা। তারপর ব্যাক অব দ্যা মাইন্ডে আমরা চেয়েছিলাম টুর্নামেন্টটা জিততে, টুর্নামেন্টে অপরাজিত থাকতে চেয়েছিলাম। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা এটা করতে পেরেছি।'
'পুরো কৃতিত্ব মেয়েদের। মেয়েরা অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে, দুর্দান্ত খেলেছে পুরো টুর্নামেন্টে। যার যে ভূমিকা সেটা পূরণ করার চেষ্টা করেছে। সবসময় আমাদের ব্যাটারদের নিয়ে কথা হত যে ওরা ধারাবাহিক না। এই টুর্নামেন্টে ব্যাটাররা দাপট দেখিয়েছে। বোলাররা সাথে সাথেই অবদান রেখেছে, যে যেখানেই পেরেছে। দল হিসেবে আমরা অনেক ভালো করেছি। অনেক বেশি ধারাবাহিক ছিলাম। এর জন্যে অনেক বেশি আনন্দিত।'