সামনের বিসিবি সভাতেও ব্যাপারটি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। তামিমকে নিয়ে মন্তব্যের আগে আরও ভাবা উচিত ছিল নাজমুলের। সেই সঙ্গে, সাবেক অধিনায়ক হিসেবে তামিমের প্রতি সম্মান দেখানোর প্রয়োজন ছিল বলে মনে করেন বুলবুল।
বুলবুল গণমাধ্যমকে বলেছেন, 'তিনি তার ব্যক্তিগত ফেইসবুক থেকে এটা লিখেছেন, তাকে আমরা বলেছি একটা রিজয়েন্ডার দেন। তার ওপরে আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় দলের একজন অধিনায়ক হিসেবে তাকে যেভাবে দেখেছি, যেভাবে পারফরম্যান্স করেছে, এই ব্যাপারটা লেখার আগে আমাদের একটু চিন্তা করার দরকার ছিল, সম্মান করার দরকার ছিল।'
এর আগে শুক্রবার ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গে আলাপকালে বিসিবি পরিচালক নাজমুল জানিয়েছেন তিনি এমন মন্তব্যের পর কোনো ক্ষমা চাইবেন না। তার মন্তব্যে দেশের গণমানুষের মতের প্রতিফলন ছিল বলেও দাবি করেছিলেন নাজমুল।
তিনি বলেছিলেন, 'এখানে তো প্রশ্নই আসে না (ক্ষমা চাওয়ার)। এখানে তো ক্ষমা না-ক্ষমার তো কোনো বিষয়ই আসে না। কারণ হচ্ছে আমি দেশের প্রতিফলন, দেশের মানুষের গণমানুষের যা প্রতিফলন আমি মনে করছি এটাই দেশের গণমানুষের প্রতিফলন। এখানে এটা নিয়ে তো কোনো অন্য চিন্তা করার কোনো প্রশ্নই আসে না।'
সর্বশেষ বিসিবি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। তবে নির্বাচনে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় শেষ পর্যন্ত সরে দাঁড়ান তামিম। এরপর বিসিবির নির্বাচিত বোর্ডকে অবৈধ আখ্যা দিয়েছিলেন তামিম। এরপর আরও বিভিন্ন সময় এই বোর্ড নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাতে দেখা যায় তামিমকে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকায় একটি অনুষ্ঠানে তামিমের কাছে জানতে চাওয়া হয় তিনি যদি বোর্ডে থাকতেন ভারতে বিশ্বকাপ খেলার ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নিতেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তামিম বলেছিলেন, ‘বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থান কী, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী হতে পারে, সবকিছু চিন্তা করে আমার সিদ্ধান্ত আমি নিতাম।’
মূলত মুস্তাফুজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়াকে কেন্দ্র করে শক্ত অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছে বিসিবি। ভারতে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ। টাইগারদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেয়ার জন্য আইসিসিকে দুই দফায় চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই তামিম বিসিবির বিরুদ্ধে এমন মন্তব্য করেছিলেন।