খেলোয়াড়, মিডিয়া ও দর্শকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে বোর্ড এগোচ্ছে বলে স্পষ্ট করেন তিনি। ক্রিকফ্রেঞ্জিকে দেয়া দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে আসিফ আকবর আরও কথা বলেছেন মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল এনওসি নিয়ে, বিসিবিকে আইসিসির নিষিদ্ধ ও রাজস্ব হারানোর গুঞ্জন, আইসিসির সঙ্গে চিঠি চালাচালি এবং বোর্ডের অভ্যন্তরীণ ঐক্য নিয়ে।
পাশাপাশি বয়সভিত্তিক ক্রিকেটের পাইপলাইন শক্ত করা, অনূর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্টের গুরুত্ব, থিম সং ও সংগীতের মাধ্যমে তরুণ ক্রিকেটারদের উদ্বুদ্ধ করার পরিকল্পনা, মিডিয়ার ভূমিকা এবং ক্রিকেটকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদি দর্শনও উঠে এসেছে তার কথায়। ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থান ও খেলাধুলাকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার দৃষ্টিভঙ্গিও ব্যাখ্যা করেন তিনি।
পাঠকদের জন্য এই সাক্ষাৎকারটি পুরোপুরি তুলে ধরা হলো-
ক্রিকফ্রেঞ্জি: যেহেতু আপনি বয়স ভিত্তিক দল নিয়ে কাজ করেন একটা গান আমরা শুনতে পাচ্ছি সেই গানটা যতদূর জানি যে বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটারদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য। গানটার পেছনের গল্পটা জানতে চাই। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে বিসিবি এখন একটা অনূর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্ট করছে তো এই টুর্নামেন্টে ভালো করাদের ক্ষেত্রে আসলে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়াটা কতটা সহজ হয়ে যাবে?
আসিফ: অবশ্যই আমরা অতীতেও দেখেছি অনেক যদি ফুটবলেও দেখি ক্রিকেটেও দেখি অনেক বয়স হওয়া প্লেয়ার একটা বয়সে এসে রঙ ছড়াচ্ছে। আমরা ব্র্যাড হজকে ধরতে পারি উদাহরণ হিসেবে এরকম সারা দুনিয়াতেই আছে। তো আমরা যে প্ল্যানে আছি অনূর্ধ্ব-২৩ টুর্নামেন্টে সেটা হচ্ছে খেলার মধ্যে রাখা। আর ন্যাশনাল টিমের দরজা ওপেন সবার জন্যই যেমন ইন্টার ইউনিভার্সিটি টুর্নামেন্টগুলো হচ্ছে বা হবে আরও যেমন ইন্টার কলেজগুলো করব তো অবশ্যই সেখান থেকে প্রতিভাবান প্লেয়ার বের হবে। আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে ইগলের চোখের মতো যে কোনো ট্যালেন্ট যেন হারিয়েই না যায়। পাশাপাশি এই টুর্নামেন্টগুলোর মাধ্যমে বাচ্চাদেরকে খেলার মধ্যে রাখা। আর ন্যাশনাল টিমের পাইপলাইন যেটা তৈরি করতে হবে সেটার জন্য অবশ্যই আমাদেরকে খেলাধুলা করাতেই হবে। তো সেটা করার জন্য আমরা করছি।
আর ১৯ এর যে একটা থিম সং আমরা করেছি সেটা বিসিবিকে বলেছি মিউজিকের সাথে আমরা ক্রিকেটটাকে যদি একত্র করি। এবার কীভাবে এটা? সেটা হচ্ছে আমরা একটা থিম সং তৈরি করেছি যেটার কথা লিখেছেন তরুণ মুন্সী, সুর করেছেন সংগীত করেছেন সাখাওয়াত আলী ইমন। বাংলাদেশের আটজন ইয়ং ট্যালেন্টেড আর্টিস্ট যারা প্রতিষ্ঠিত তারা সেখানে ভয়েস দিয়েছেন। এটা অলরেডি বিপিএলে বাজা শুরু হয়েছে। তো এই গানটা আমরা কমনলি করেছি যেন যেকোনো লেভেলে গানটা বাজানো যায় এবং আমাদের এই যে এইজ লেভেলে যে টুর্নামেন্টগুলো হবে এই গায়ক গায়িকাগুলো বা বাংলাদেশে যারা ছোট ছোট গায়ক আছে অত প্রতিষ্ঠিত না বা আবার প্রতিষ্ঠিত গায়ক আছে যারা এসবের সাথে ইনভলভ না। তো আমরা চাচ্ছি একটা ইভেন্টের মতো করে। এই যে অনূর্ধ্ব-১৬ খেলা হবে কিশোর দাসের মতো একজন স্টার সেখানে যাবে সে খেলা দেখবে টাইম পাস করবে বাচ্চারা উৎসাহিত হবে মিডিয়া থাকবে সেখানে।
হয়তো আমরা কিছু টিভি চ্যানেলের সাথে কথা বলেছি যেন ১৬ এবং ১৮ খেলাগুলি লাইভ সম্প্রচার করার ব্যবস্থা করা যায় এবং তারাও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তো এর মাধ্যমে উৎসাহ জাগানো প্লেয়ারদেরকে মাঠের মধ্যে একটা চিয়ার আপ রাখা। যেমন আমরা সাউন্ড সিস্টেমের অ্যারেঞ্জ করতে বলেছি। তো হয়তো আমরা সাউন্ড সিস্টেম ভাড়া করতে গেলে যে টাকাটা লাগে সেই টাকাটা কিন্তু আমরা নিজস্ব সাউন্ডের ব্যবস্থা করতে পারি। আমরা চাচ্ছি বিসিবিতে যত পারি কম হাত দিতে বিসিবির ফান্ডে।
আমরা স্পন্সর বা লোকাল যে উৎসগুলি আছে সেগুলোকে সন্নিবেশিত করার চেষ্টা করছি। তো আর আমাদের মিউজিক বা অভিনয় বা যেকোনো সব লাইনে যারা যারা ক্রিকেট নিয়ে আগ্রহ বা আমরা ক্রিকেটারদেরকে এনকারেজ করার জন্য তাদেরকে মাঠে নিশ্চিত করার জন্য যে আমরা সবাই বাংলাদেশের বিভিন্ন অ্যাঙ্গেলের প্রতিষ্ঠিত সম্পদ একসাথে একই হারমোনিতে যদি বাঁধা যায় সুন্দর একটা সুর হবে। এটার জন্য আমরা যেহেতু ক্রিকেটের বিনোদন মিউজিক বিনোদন তো বিনোদনের মাত্রাটাকে আমরা বহুমাত্রিক করতে চাই।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: অবশ্যই এটা ভালো উদ্যোগ নিঃসন্দেহে যারা এইজ লেভেল ক্রিকেটার রয়েছে তাদের সেই গানটা উদ্বুদ্ধ করবে। আইপিএলে আবারও মুস্তাফিজকে চাচ্ছে বিসিসিআই। এ ব্যাপারে আসলে আপনার জানা আছে কিনা এটা আসলে কতটুকু সত্য? এরকম কোনো বিসিসিআইয়ের মেইল বিসিবি পেয়েছে কি না?
আসিফ: এটা আমি মিডিয়াতে দেখেছি এবং সেখানে একটা প্রতিক্রিয়াও দেখেছি। এই সিদ্ধান্তটা কিন্তু আমরা গতকালকে ফাইনালি দিয়ে দিয়েছি যে মুস্তাফিজের এনওসি বাতিল করা হয়েছে। এখন কোনোভাবেই সে আর আইপিএল খেলবে না। তো এই চ্যাপ্টারটা শেষ। এখন শুধু কথোপকথন হবে আর পরের গল্পটা হচ্ছে আমরা ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছি না। বিকল্প ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে আমরা পছন্দ করেছি। এটা আমাদের আইন মন্ত্রণালয়, ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে বিসিবিকে। তারা সমর্থন দিয়েছে বিসিবির পদক্ষেপকে। তো আমরা ওই লক্ষ্যে এগোচ্ছি এবং আশা করছি যদি বিকল্প ভেন্যু না হয় তাহলে আমরা যে সিদ্ধান্ত আগে দিয়েছি সেই সিদ্ধান্তেই আছি এখনো। নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা শুধু অপেক্ষায় আছি আইসিসি আমাদের ভেন্যুর ব্যাপারে কী সিদ্ধান্ত নেয় তারপর আমরা বাকি কথাগুলো বলব।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: কিন্তু যে কথাটা আসলে ছড়িয়েছে আপনিও বলছেন যে আপনিও নিউজে দেখেছেন। আসলেই কি এরকম কোনো ঘটনা ঘটেছে মানে তারা আবারও চায় বা বিসিবির কাছে আসলে নতি স্বীকার করেছে বিসিসিআই এরকম?
আসিফ: এরকম কোনো অথেনটিক নিউজ আমাদের কাছে আমাদের বোর্ড ডিরেক্টর গ্রুপে বা কোনো মেইল আমি এখনো পাইনি। এটা আমি মিডিয়াতে দেখেছি এবং মিডিয়ার মধ্যেই এটা সীমাবদ্ধ আছে। আমাদের কাছে কোনো কিছু আসেনি।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: যেহেতু এখন এটা পুরো জাতীয় ইস্যু হয়ে গেছে আইন মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং বিসিবি সবাই একমত হয়েছে। সেক্ষেত্রে যদি আইসিসি বিসিবির অনুরোধে রাজি না হয় বা তারা ভারতেই খেলার জন্য আসলে জোর করে সেক্ষেত্রে আসলে ভবিষ্যৎটা কী বা আপনি ডিরেক্টর হিসেবে কী ভবিষ্যৎ দেখছেন?
আসিফ: প্রথমত আমরা নিজেকে ভাবতে চাই আমরা আত্মমর্যাদাশীল একটা জাতি। আমাদেরকে কেউ ছুঁড়ে ফেলে দিবে, কেউ আমাদেরকে চোখ রাঙাবে অতীতের মতো আমরা কাঠের পুতুল হয়ে থাকব এই দিন শেষ। এগুলো হবে না। আর যে দুঃস্বপ্নগুলো দেখাচ্ছে বা এগুলো হচ্ছে এক ধরনের আতঙ্ক ছড়ানো প্রয়াস যে ওদের সাথে না খেললে ওখানে না গেলে বাংলাদেশের ক্রিকেট ধ্বংস হয়ে যাবে। এসমস্ত জুজুর ভয় দেখালে লাভ নেই কারণ আমাদেরও একটা হিসাব আছে। হয়তো আমি সব আপনাকে বলব না। আমাদেরও একটা ডিফেন্স পলিসি থাকবে এখানে।
আমরা তো এমন কোনো দেশ না যে আমাদের কোনো সমৃদ্ধ ইতিহাস নাই। আমাদের কিন্তু ৫২, ৭১, ২৪ আছে। ফাঁকে ফাঁকে আরও গল্প ঘটনা প্রবাহ আছে সেখানে। তো আমরা যেটা করতে চাই প্রথমত আত্মমর্যাদাশীল একটা জাতি হতে চাই যে আমরা বাংলাদেশ ফার্স্ট। তারপর গিয়ে আমরা আমাদের প্লেয়ারদের যে নিরাপত্তার ইস্যুটা দাঁড়িয়েছে সেটা সবচাইতে বড় ব্যাপার। পাশাপাশি প্লেয়ারদের পাশাপাশি আমাদের যে মিডিয়া আমাদের যে জনগণ খেলা দেখবে সেখানে গিয়ে দর্শক আমাদের অর্গানাইজার ডিরেক্টরস বা যারা বিভিন্ন অ্যাঙ্গেলের মানুষজন যাবে।
তো তাদেরও নিরাপত্তার ব্যাপার আছে। এখন আমি নিরাপত্তা দিলে কয়জনকে দেব। আমরা জানি যে অলরেডি ওই দেশে প্রচুর পরিমাণে পলাতক ফ্যাসিস্ট রয়েছে এবং তারা ক্রিমিনাল। তাদেরকে দেশের পুলিশ খুঁজছে এবং তারা ওয়ান্টেড। তারা ওখান থেকে এসে এসে ক্রাইম করে আবার ওখানে পালিয়ে যাচ্ছে। তো এমন একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে তো আমরা কাউকেই দায়িত্ব দিতে পারি না। তার মধ্যে ভিসা জটিলতা আছে। মিডিয়াকর্মীরা ভিসা পাবে কি না তাদের যে ভিসা পলিসি সেখানে দর্শকদের ভিসা পাবে কি না তো সবকিছু মিলে তারাও কোনো কিছু পরিষ্কার করেনি। তো আমি আশা করছি আইসিসির এই চিঠির পরে সবকিছু একটা ফোকাস থাকবে। কিন্তু সিদ্ধান্ত আমাদের আগেরটাই থাকবে। এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যেটা মার্চে অনুষ্ঠিত হবে ফেব্রুয়ারিতে সেটাতে আমরা অংশগ্রহণ করছি না কিন্তু অংশগ্রহণ করব তখন যদি এটা শ্রীলঙ্কাতে হয়।
আর আমাদের যে স্ট্যান্ড ছিল অতীত থেকে শুরু থেকে যেগুলো বলে আসছি আমাদের বিসিবির দুই দফা মিটিংয়ের পর পরবর্তীতে সাজেশনস ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যোগ দেয় তথ্য মন্ত্রণালয় জয়েন করেছে এগুলো মিলিয়ে আমরা যেটা দেখলাম আমাদের সাথে দেশের স্বার্থ দেশের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা দেশের মর্যাদা আগে। আর আইসিসি কী করবে বা আইসিসি একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ কিন্তু আমরা আমাদেরকে নত করে এভাবে কথা বলা ঠিক না কারণ আমাদেরও প্রায় ২১ কোটি দর্শক আছে বাংলাদেশও ক্রিকেটের বড় বাজার। আমরা যদি একটা পরিসংখ্যানে যাই সাধারণত ভারতের ১৩০ কোটি মানুষ পাকিস্তানের ২১ কোটি বাংলাদেশের ২০ কোটি এটা একটা হাব। শ্রীলঙ্কার আড়াই কোটি নেপাল আফগানিস্তান খুব ছোট ছোট সংখ্যায় অস্ট্রেলিয়া ছোট সংখ্যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ যারা দেশগুলি আছে আফ্রিকা নিউজিল্যান্ড তো আলটিমেটলি কিন্তু ক্রিকেটের দর্শক কিন্তু এখানেই। তো এখান থেকে যদি আমাদেরকে বঞ্চিত করা হয় এটাতে অ্যাফেক্টটা পুরা ওয়ার্ল্ড টুর্নামেন্টেই পড়বে।
তো আমাদের নিজেদেরকে যদি আমরা ছোট করে দেখি বা আমাদের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা অন্য দেশি এজেন্ট বা অন্য দেশের সাথে যারা ফ্যাসিলিটিজ পায় যারা আগে নতজানু নীতিতে ছিল যারা তৈল মর্দন করে চলে চলে আসছিল যারা ফ্যাসিলিটিজ পেয়েছে এবং যারা মুস্তাফিজের পক্ষে দাঁড়ায়নি ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাসও দেয়নি তারা তাদেরকে দেখা গেছে ৩ আগস্টে অন্য ভূমিকায়। তারা একসময় ফ্যাসিস্ট ছিল ফ্যাসিস্টের জন্মদিন পালন করেছে যখন বেগম খালেদা জিয়া জেলখানায় ছিলেন তো জেলখানার সময় তার কোনো সহানুভূতি আমরা দেখি নাই। তো এরা আবার সামনে চলে আসছে এসে তারা ভ্রাম্যমাণ ফ্যাসিস্টের ভূমিকাটা পালন করছে। আর কিছু কিছু মন্তব্য আমরা পাচ্ছি কমেন্ট দেখতে পাচ্ছি যেগুলোর নাম উল্লেখ করতে চাই না হয়তো সময়ও নাই কারণ আমরা কাজের লোক আছি কাজের মধ্যে আছি কাজ নিয়ে থাকছি।
তো শুধু বলব বিসিবিতে ২৫ জন ডিরেক্টর আছে বাকি সারা দেশে হচ্ছে ২৬ নম্বর ডিরেক্টর। তো ২৬ নম্বর ডিরেক্টর যেকোনো কিছু বলতে পারে তবে সেটা যদি সীমা লঙ্ঘন করে সেটা আইনগত ব্যবস্থা অবশ্যই নেয়া হবে। কিন্তু আমরা জানি যে এটাতে আসলে আমাদের অত সময় এখন হাতে নাই। আমাদের সারা দেশে খেলা ছড়াতে হবে একটা উৎসবমুখোর পরিবেশ থাকতে হবে। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ছাড়াও পৃথিবীতে আরও অনেক খেলা হবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ কিন্তু এমন না যে এটা না খেললে বাংলাদেশে ৫০০০ লোক নিহত হয়ে যাবে অস্ট্রেলিয়ায় ৩০০০০ লোক আত্মহত্যা করবে এরকম কিছু না। যেহেতু আমাদের আত্মমর্যাদার ব্যাপার নিরাপত্তার ব্যাপার এবং আমাদের একটা চাহিদা আছে সেটার উপর আমরা ভিত্তি করছি।
তো সেই হিসাব করে আমরা আসলে এগোচ্ছি কারণ বিসিবিতে আমরা বসি আমরা কথা বলি আমরা মন্ত্রণালয়ের সাথে কথা বলি। তো আমরা আসলে যে ঘটনা ঘটে সেগুলো আমরা একটা অংশ সলিড যেটা মিডিয়াতে আমরা ফ্লাশ করি বা মিডিয়াকে জানিয়ে দিই। কারণ আমরা সবসময় চাই এই বোর্ড সবসময় চায় বোর্ডের সাথে সাথে মিডিয়া সংশ্লিষ্ট থাকবে। না ব্যক্তিগতভাবেও খুব চাই কারণ আমি গত ২৫-৩০ বছরের ক্যারিয়ারে সবসময় মিডিয়াবান্ধব ছিলাম এবং বিসিবি ঢোকার পর এই পূর্বাচলের মাটি চুরি যখন ধরলাম যে ছয়-সাত মাস আগে যে ঘটনাটা ঘটেছে। তো এবং তখন আমি আমাদের ডিরেক্টরকে বলেছি আপনারা মিডিয়াকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই বরং ভয় পাবো তখন আমরা যদি অন্যায় করি এবং সেটা লুকানোর চেষ্টা করি। আবার যদি অন্যায় না করি আবার যদি লুকানোর চেষ্টা করি সেটাও একটা সন্দেহ জন্ম দেয়। মিডিয়ার কাজ হচ্ছে খুঁজে খুঁজে এগুলো বের করা এবং প্রকাশ করা এটা তাদের কাজ আর আমাদের কাজ হচ্ছে তাদের কাজকে ইজি করে দেওয়া। তো সুতরাং আমি মনে করি বাংলাদেশের মিডিয়াও বাংলাদেশ ক্রিকেটের পক্ষের সবচাইতে বড় শক্তি একটা। তো আমরা কেন একসাথে কাজ করব না এই।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: এবার যদি বাংলাদেশ না খেলে বিশ্বকাপে আইসিসি যদি না মানে সে ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ হবে রাজস্ব পাবে না এরকমও প্রচলিত আছে যে ৯০ থেকে ৯৫ পারসেন্ট বিসিবির টাকার আসে আইসিসি থেকে। তো এই ব্যাপারে আপনার বক্তব্ব কী।
আসিফ: আমি তো বিসিবিতে তিন মাস আছি। এই ৯০ টু ৯৫ পারসেন্ট টাকার হিসাবটা কোথা থেকে আসলো আমি ঠিক জানি না। তো এরকম মনে হয় এটা মনগড়া তথ্য এটা। আর যদি তারা ফিন্যান্সিয়ালি আগে থেকেই ইনভলভ থাকে বা বেনিফিশিয়ারি থাকে বা তারা টাকাগুলি হাতায় আগে থেকে তাহলে তারাই হয়তো ভালো জানে। তো আমরা এখনো এই ব্যাপারে যে স্টাডি আমাদের আছে একটা টুর্নামেন্ট এটা। এই একটা টুর্নামেন্ট নিয়ে কোনো তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ লেগে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নাই। বরং আমরা ভবিষ্যতে যে আরও সারা জীবন যে খেলব সেটা ভিত্তি তৈরি করতে হবে শক্তিশালী ভাবে যেন আমাদের আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আমরা মানুষের মাঝে টিকে থাকতে পারি এবং আমাদের ক্রিকেট যেন গর্ব করে বলতে পারে বাংলাদেশ আসলে নতজানু কোনো জাতি না।
আমরা সত্যের পক্ষে আছি ন্যায়ের পক্ষে আছি কারো দাদাগিরি মোড়লগিরির পক্ষে আমরা নাই এবং অতীতে যেগুলো হয়ে আসছে যে চাটুকারবৃত্তিতে তৈলবৃত্তিতে আরেকজনের কথায় চলা বশীভূত হওয়া কিংবা প্রভাবিত হওয়া এই দিন বদলে গেছে এখন বাংলাদেশে। বাংলাদেশে এখন তার স্বাধীনচেতা মনোভাব নিয়ে চলবে যেটা যৌক্তিক যেটা দেশের পক্ষে যাবে দেশের মানুষের পক্ষে যাবে এবং দেশের ক্রিকেটের পক্ষে যাবে সেটাই বিসিবি করবে ইনশাআল্লাহ।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: ভারতীয় মিডিয়া যে নিউজগুলো দেখছি মানে বিশেষ করে দর্শকরা অনেক বেশি বিভ্রান্ত হচ্ছেন যে বাংলাদেশ হয়তোবা নিষিদ্ধ হয়ে যাবে বা খেলতে পারবে না বিশ্বকাপ- এই ব্যাপারে আসলে আপনি যদি দর্শকদের উদ্দেশ্যে...
আসিফ: না এরকম ব্যান (নিষিদ্ধ) হওয়ার কোনো রেকর্ড অতীতে আমি দেখি না যে একটা টি-টোয়েন্টি ওয়ার্ল্ড কাপ না খেলে ব্যান হয়ে যাবে। এটা তাদের একটা প্রোপাগান্ডার অংশ এটা আমরা জানি। অনেক সময় প্রচারে প্রসার বলি আবার কিছু কিছু সময় প্রচারে প্রেসার হয়ে যায়। তো আমাদের জনগণ বা একটা অংশ হয়তো সে প্রচারের প্রচারের কারণে প্রেসারে পড়ে গেছে। কিন্তু আমরাও তাদের ভয় কাটানোর জন্য রেগুলারই কথা বলছি এবং উনারা যেন মানে যেহেতু তারা ক্রিকেট লাভার ক্রিকেট ফ্যান তাদের উৎকণ্ঠা থাকাটা স্বাভাবিক।
সেই উৎকণ্ঠাটাকে প্রশমিত করার জন্যই কিন্তু আমরা নিয়মিত প্রেসে আছি আজকে অন্তত আমি নিজে যাচ্ছি যেন হতোদ্যম না হয়। স্বাভাবিকভাবেই আমরা যেভাবে জানব আমরা যেভাবে সিদ্ধান্ত নিব দেখেছি যেটা বুঝবো সেটা তো একজন সাধারণ মানুষ নাও জানতে পারে। ওই তাদেরকে আশ্বস্ত রাখা তাদের সামনে সলিড উপস্থাপনাটা করা আমাদের মূল কাজ। অন্যান্য দেশের মিডিয়া কী প্রোপাগান্ডা চালালো তারা এগুলো তাদের অভ্যাসে পরিণত করেছে এটা আমরা গত দেড় বছর ধরে দেখতে পাচ্ছি যে এই বাংলাদেশ না খেয়ে মরল এই বাংলাদেশে এই হয়ে গেল এই বাংলাদেশে ওই হয়ে গেল। বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে কারণ একটা বিপ্লবিক রেভোলিউশনের পরে ওইভাবে পুনর্গঠনটা হয়নি দেশে মানুষ বেশি সমস্যা বেশি সেগুলো হয়তো তারা ব্যর্থ হয়েছে এবং সেই ব্যর্থতার দায় তাদেরকে নিতেই হবে।
কিন্তু দেশপ্রেমের ব্যাপারে জাতি ঐক্যবদ্ধ আছে। যারা দেশের বাইরে পালিয়ে গেছে বা দেশের বাইরে না পালাতে পারে যে ফ্যাসিস্টগুলো বাংলাদেশে এখনো বিরাজমান আছে তারা হয়তো ক্রিকেটে ঢুকতে চায় নতুন মোড়কে নতুন রাজনৈতিক দলের মোড়কে তাদের অতীত পরিচয় ঢেকে। সেদিকেও আমাদের শ্যেন দৃষ্টি আছে। কে অতীতে কী করেছে ৩ আগস্ট কে সভা করেছে কোথায় তার আগে ফ্যাসিস্টের জন্মদিন করেছে তার আগে তার বিয়েতে বেগম খালেদা জিয়া গেছে তার আগে বেগম জিয়া যখন জেলে ছিলেন তখন তার কোনো বিবৃতি বা কোনো অনুভূতি দেখিনি বেগম জিয়া যখন বিদেশ যেতে দেওয়া হচ্ছিল না তখনও তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া দেখিনি হঠাৎ করে দেখি বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনা করা হচ্ছে এবং তার সাথে আমাদের দলেরও... আমি যেহেতু বিএনপির রাজনৈতিক সমর্থক একজন। আমি দেখতে পাচ্ছি সেই ফ্যাসিস্টের খপ্পরে আমাদের দলের লোকজনও পড়েছে। তো এটা একটা মোহগ্রস্ততা বা অজ্ঞতা। এটা একদিন কেটে যাবে। আপনি যখন কেউ নিজেকে জ্ঞানী মনে করে তখন সে কিন্তু জ্ঞানী ভেবে ফেলে। তখন সে ভুলে যায় জ্ঞানী লিখতে গিয়ে মূর্ধন্য ইউজ হয় নাকি দন্তন্য ইউজ হয়। তো আমরা দন্তন্যতেই আছি ইনফ্যাক্ট।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: ভাই আপনি বলছেন যে বিএনপি রাজনীতির সাথে আপনি আছেন সক্রিয় রাজনীতিও করছেন বা জনাব তারেক রহমানের আসলে এই ইস্যুটাতে যেহেতু এটা এখন একটা জাতীয় ইস্যু এই ইস্যুতে তার মতবাদ বা তার মতামতটা কী তিনি আসলে পুরো ব্যাপারটাকে কীভাবে দেখছেন?
আসিফ: না উনার সাথে তারেক রহমান সাহেবের সাথে তো আমাদের বেগম জিয়ার মৃত্যুর পর আমাদের বোর্ড থেকে একটা গ্রুপ গিয়েছে জানাজায় অংশগ্রহণ করার জন্য। এটা আমাদেরকে বলা হয়েছিল বোর্ডের গ্রুপ থেকে যে আমরা জানাজায় যাব। আমি তো এমনিতেও গিয়েছি যাবই আর তার পরবর্তীতে তারেক রহমান সাহেব উনি আসার পরে উনার সাথে বিসিবির কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন এবং কথা বলেছেন যেটা ডিসক্লোজ (প্রকাশ) করেননি তারা যেকোনো কারণেই হোক হয়তো উনি নিজেই করবেন কোনো এক সময়। কারণ তারেক রহমান সাহেব পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন অতীতে খেলাধুলা গান-বাজনা বা বিনোদনে কোনো রকম রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছাড়া এটার অধিকার রাখতে হবে কারণ এতে মানুষের মানসিক বিকাশ মননশীলতা বিকাশ ঘটে শুধুমাত্র গান পড়াশোনা করেই কিছু হবে না, শুধুমাত্র ধর্মকর্ম না সঙ্গে অনেকই থাকতে হবে সবই থাকতে হবে যেখানে যে ভালো করবে সেখানে প্রাধান্য দিতে হবে।
আর আমি গিয়েছিলাম শোক বইতে স্বাক্ষর করতে সেখানে স্বাক্ষর করার একপর্যায়ে তিনি একটা মিটিংয়ে গিয়েছিলেন ঢাকা ১৭ যেহেতু নির্বাচন করছেন ওই মিটিং থেকে বের হওয়ার পরে আমার সাথে উনার দেখা হয় উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কি আসিফ কী খবর? আমি বললাম ভালো। প্রথমে আমি সালাম দিয়েছিলাম এই তারপর প্রেসে বাইরে আসলাম বাইরে এসে প্রেস আমাকে বলল কিছু কথা তখন আমি বেগম জিয়ার সাথে কিছু স্মৃতি শেয়ার করলাম উনার সাথে কথা হয়েছে বললাম এবং টি-টোয়েন্টি স্ট্যান্ড নিয়ে বললাম। তো তারেক রহমান সাহেব একজন উনার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো যখন আমরা ২০০৪ সালে অসহায় হয়ে যাই ঢাকা স্টেডিয়ামে বর্তমান যেটা এক নম্বর স্টেডিয়াম বলে সেখানে ফুটবল চলে সেখানে যখন আইসিসির পরিদর্শক দল আসলো তারা মাটি উইকেট কুপিয়ে দিয়ে চলে গেল।
তখন আমরা ব্যর্থ মনোরথেই বেসিক্যালি মিরপুরকে বাছাই করি এবং মিরপুরের স্টেডিয়ামটা আরাফাত রহমান কোকো নিজে আমরা থেকে অনেকেই ছিল তাদের অনেকেই এখন আছেন সেই স্টেডিয়ামটাকে দাঁড় করানো হয়েছে। আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করবেন প্রত্যেকটা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একটা আলাদা বল ইয়ে থাকে স্ট্রাকচার থাকে যে উত্তর দক্ষিণ প্রেস বক্স প্যাভিলিয়ন তাই না? কিন্তু মিরপুরটা দেখবেন উল্টো। প্রেস বক্স প্যাভিলিয়ন পাশাপাশি তাই না তো এটার খেলাটা হচ্ছে এমনে তো আমরা যেটা করি ওই স্টেডিয়ামটা ছিল ফুটবলের আর এই মতিঝিলের যে স্টেডিয়াম সেটা ছিল ক্রিকেটের। কিন্তু তারপর আমাদের এটা মেনে নিতে হচ্ছে। তো আশা করছি ভবিষ্যতে যে ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলি হবে বা ফুটবল স্টেডিয়ামগুলো সেগুলাতেই যে খেলার জন্য তৈরি সেগুলি করা হবে।
তো তারেক রহমান সাহেব খেলাধুলার ব্যাপারে ভীষণ আগ্রহী। উনার কিছু ভিডিও ইদানিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে উনি নিজেও ক্রিকেট খেলছেন। তো এবং উনি এ পর্যায়ে বিএনপির মতো একটা বড় রাজনৈতিক দলের কর্ণধার অধিপতি এবং তিনি নেতা এবং তার অনেক বড় সমর্থক গোষ্ঠী রয়েছে এবং উনার অধীনে আমরা বিএনপির সমর্থক হিসেবে বিএনপিকে সাপোর্ট করে যাচ্ছি। আর আমার যে রাজনীতি সেটা হচ্ছে আমি আসলে বেগম জিয়ার নির্দেশে চলি চলতাম। তো উনার সাথে আবার দেখা হওয়ার কথা ছিল উনিই বলেছিলেন তো এখন আর দেখা হয়নি কিন্তু উনার নির্দেশ ছিল আমি যেন গান গাই। এটাও উনি বলেছিলেন যে তুমি তোমার কাজ করো ওরা ওদের কাজ করুক কোনো একদিন আমাদের দেখা হবে অবশ্যই তোমার পরিকল্পনাগুলো আমাকে বলবা কারো সাথে প্রকাশ করবা না আমি তোমার কাজগুলো করব। তো এখন আর উনার সাথে কথা হয়নি হয়তো কখনো এই স্বপ্নগুলি উনার বেগম জিয়ার সাথে যে প্রতিশ্রুতি আমার ছিল বা উনি উনি যেই আদেশটা আমাকে দিয়েছিলেন সেটা হয়তো শেয়ার করার সুযোগ একদিন আসবে। কালকেই যে কিছু হয়ে যাবে আগামীকালকেই সবকিছু হয়ে যাবে সেটার জন্য আমি মোটেও আবেগ তাড়িত না তাড়াহুড়ো নেই আমার। আমি অপেক্ষা করছি ভালো কিছুর জন্য সময় লাগে সময়টাই আমি নিচ্ছি।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: আইসিসির পক্ষ থেকে যে চিঠিটা পাঠানো হয়েছে সেই চিঠিটাতে আসলে কী ছিল বা সেটা যদি আসলে শেয়ার করা যায় কারণ সেই চিঠিটা নিয়ে একটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে।
আসিফ: চিঠিটাতে লেখা ছিল আর কি যে আমরা আমাদের কী কী সমস্যা ওখানে হচ্ছে তারা সেটা সমাধানের চেষ্টা করবে। তো ওই চিঠিটা পড়ার পরে আমরা বুঝতে পারছি যে আমাদের যে গুরুত্বটা আমরা যে গুরুত্ব দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছি করেছি তাদেরকে সেটা তারা বোঝেনি। এ কারণে পরবর্তীতে আমরা আজকে আরেকটি মেইল করেছি গুরুত্ব বোঝানোর জন্য যে আমাদের এই এই সমস্যা, এগুলো বড় সমস্যা যে কারণে আমরা ভারতে খেলব না কিন্তু আমরা শ্রীলঙ্কাতে খেলব। এটি হচ্ছে চিঠি এবং চিঠির প্রত্যুত্তর।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: গতকালকে একটা মিটিং হয়েছে ক্রীড়া উপদেষ্টার সঙ্গে বিসিবির আপনিও সেখানে ছিলেন। তো সেই মিটিংটাতে আসলে যদি একটু শেয়ার করা যায় আমাদের সাথে যে সেই মিটিংটায় কী আলোচনাটা হয়েছে।
আসিফ: না আমরা সেখানে ডিরেক্টরদের মধ্যে প্রায় ২৩ জন উপস্থিত ছিলেন। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যারা সবসময় থাকেন তারা ছিলেন। সেখানে আমরা যে বিসিবির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি সেটাতে স্ট্যান্ড রাখার জন্যই জোর আমাদের বলা হয়েছে। আমরা আমাদের সাথে একমত একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। আর এ ফাঁকে আমরা আলাপ করেছি যে আমাদের বিকেএসপিতে যে তদবির বাণিজ্য চলে অরিজিনাল প্লেয়াররা ঢুকতে পারছে না যেকোনো সেক্টরেই আর এদিক থেকে আমাদের এই ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে আসিফ মাহমুদ থাকাকালীন সময়ে যে আমাদের ১৫০ সিন্থেটিক টার্ফ দেওয়ার কথা—আমি তো আমার কথাই বলব—তো ১৫০ সিন্থেটিক দেওয়ার কথা আমাদের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এনএসসির মাধ্যমে সেটার কী আপডেট। পাশাপাশি ইয়ার ক্যালেন্ডারটার কী আপডেট এবং আমরা ক্রিকেট বোর্ড কীভাবে এগোতে চাচ্ছি বা উনার কোনো সাজেশনস আছে কিনা এগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আর ওই ব্যাপারটা যেটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ওইটার ব্যাপারে আমরা ঐক্যমত্য সিদ্ধান্ত প্রথমেই নিয়ে নিয়েছি।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: অনেক সময় দেখা যায় যে ভাইয়া মানে আমরা বা দর্শকরা আমরা সাংবাদিকরা কিংবা যারা ক্রিকেট ফ্যান রয়েছে তারা আসলে মানে একদম ফাইনাল কলটা কবে জানতে পারবে? মানে সেটা শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলছে আমি যদি স্পেসিফিকভাবে বলি।
আসিফ: ওদেরও তো মানুষজন আছে এ দেশে, ওদের মানুষজনও কথা বলছে। আমরা আমাদের স্ট্যান্ড থেকে কথা বলছি। আর বুলবুল ভাই তো বিভিন্ন সময় আইসিসিতে বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করেছেন তো উনার একটা পার্সোনাল একটা যোগাযোগ আছে। তো এগুলো হচ্ছে ভারবাল হিসাব। তো আমরা আশা করছি ১০ তারিখের মধ্যে আমরা আজকে যেহেতু ৮ তারিখ হয়ে গেল ১০ তারিখের মধ্যে আমরা টোটাল সিনারিও পেয়ে যাব আমরা আসলে শ্রীলঙ্কা যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছি কি না নাকি ক্রিকেটটা ওয়ার্ল্ড কাপ টি-২০ ক্রিকেটটা বয়কট করতে যাচ্ছি সিদ্ধান্ত ওইটাই।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: এর বাইরে আসলে কোনো সিদ্ধান্ত আর কোনো সুযোগ নেই কারণ এরকমও তো শোনা গেছে যে সাত দিন পরে যদি সিদ্ধান্ত চেঞ্জ হয় সে ক্ষেত্রে আপনি...
আসিফ: কোথাও কোনো সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: কোনো সুযোগ নেই?
আসিফ: না, বোল্ড অ্যান্ড বিউটিফুল।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: তার মানে বাংলাদেশ যদি মানে ভারতেই খেলতে যেতে বলে আইসিসি সে ক্ষেত্রে বয়কট?
আসিফ: এটাই তো বারবার বলছি বাংলাদেশ যাবে না বাংলাদেশ গেলে শ্রীলঙ্কা যাবে।
ক্রিকফ্রেঞ্জি: ধন্যবাদ ভাইয়া।
আসিফ: থ্যাংক ইউ। ক্রিকফ্রেঞ্জিকে ধন্যবাদ। ক্রিকফ্রেঞ্জির জন্য একটা শুভকামনা থাকল। আমার ক্রিকফ্রেঞ্জি খুব ভালো লাগে তাদের নিউজ করার স্টাইল এবং এই যে অস্থির মিডিয়া জগতে ক্রিকফ্রেঞ্জি একটা লাইট। আপনারা ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গেই থাকবেন। থ্যাংক ইউ।