ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানিয়েছে, ওই বৈঠকে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে অন্য দেশে সরানোর অনুরোধ আইসিসির পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয় বলে বিসিবিকে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, বিশ্বকাপে খেলতে হলে বাংলাদেশকে ভারতেই যেতে হবে- এ কথাও বলা হয়েছে বলে দাবি করেছে তারা।
যদিও আসিফ আকবর বলছেন ভিন্ন কথা। বিসিবির এই পরিচালকের মতে, এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো চিঠি পাঠায়নি আইসিসি। আপাতত আইসিসির মেইলের অপেক্ষায় আছে বিসিবি।
তিনি বলেন, 'এখন পর্যন্ত আমরা আইসিসি’র কোনো উত্তর পাইনি অফিশিয়ালি। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা ভারতে খেলতে যাব না আমাদের নিরাপত্তার কারণে। কারণ এখানে আমাদের মিডিয়া, আমাদের সাপোর্টার্স, আমাদের অর্গানাইজার্স এবং তাদের ফ্যামিলি আছে। যেখানে একজন বড় প্লেয়ারের নিরাপত্তা নিয়ে এত সমস্যা সেখানে এত লোকের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমরা কীভাবে দিব? ওখানে যদি কোনো দুর্ঘটনা হয়ে যায় সেটার দায়-দায়িত্ব কে নিবে?'
'তো আমরা আমাদের দর্শক, মিডিয়া এবং আমাদের অর্গানাইজার ও প্লেয়ারদের নিরাপত্তার কথা ভাবছি। প্লেয়াররা তো ক্রিকেট খেলবে, ওরা নিরাপত্তা নিয়ে ভাবলে খেলবে কীভাবে? তো সেই হিসেবে আমরা আপাতত ভারবাল যে আলাপ, সেটা হচ্ছে- আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে শ্রীলঙ্কায় অস্ট্রেলিয়া খেলতে যায়নি এক সময়, তারা ওয়াকওভার দিয়ে এসেছিল। আমরা ওরকম কোনো অপ্রীতিকর ব্যাপার চাচ্ছি না। আমরা চাচ্ছি আইসিসি একটা সমাধানে আসুক এবং যেহেতু ভেন্যু শ্রীলঙ্কা ও ইন্ডিয়া, আমরা শ্রীলঙ্কাকে ফেভার করতে চাচ্ছি।'
এখন পর্যন্ত আইসিসি বা বিসিবি- কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। বিসিবি এর আগে রোববার আইসিসিকে চিঠি দিয়ে ভারতের বাইরে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের বিষয়টি ‘বিবেচনা’ করতে বলার পরই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
বিশ্বকাপ শুরুর এক মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। ২০ দলের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি, চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত। স্বাগতিক ভারত ও শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ ‘সি’-তে থাকা বাংলাদেশের প্রথম তিন ম্যাচ কলকাতায়, এরপর মুম্বাইয়ে একটি ম্যাচ রয়েছে।