তারা ৮৬ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে। ওপেনার রায়ান রিকেলটনকে ফিরিয়ে শুরুতেই প্রোটিয়াদের ধাক্কা দেন হ্যাজেলউড। রিকেলটন আউট হন মাত্র ২ রান করে। দ্বিতীয় উইকেটে এইডেন মার্করাম ও ডেভিড বেডিংহ্যাম মিলে যোগ করেন ৬৬ রান। বেডিংহ্যামকে এলবিডব্লিউ করে এই জুটি ভাঙেন হ্যাজেলউড। এরপর দ্রুত আরও ২ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
১ রান করে টেম্বা বাভুমা আউট হন ম্যাট রেনশর বলে শর্ট লেগে ম্যাডিনসনকে ক্যাচ দিয়ে। ১ রান করা ট্রিস্টিয়ান স্টাবস ফেরেন প্যাট কামিন্সের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে এজ হয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। বাকি সময়টা দেখেশুনে খেলে পাড়ি দিয়েছেন মার্করাম ও উইয়ান মুল্ডার। মার্করাম ৪৫ রান নিয়ে দিনের খেলা শেষ করেছেন। মুল্ডার অপরাজিত আছেন ৫ রান নিয়ে। স্বাগতিকরা চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে ৪ উইকেটে ১০২ রান নিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে এখনও ৩১৯ রানে পিছিয়ে সাউথ আফ্রিকা।
এর আগে অস্ট্রেলিয়ার করা ৩৯০ রানের জবাবে ২৮৪ রান করে অল আউট হয়েছিল সাউথ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রণাত্মক ব্যাটিং করে সফরকারীরা। প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে বিদায় নিলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো শুরু এনে দেন নিক ম্যাডিনসন।
তিনি ৩৮ বলে ৪৮ রান করে আউট হন। তাকে বোল্ড করে ফেরান প্রোটিয়া পেসার অ্যানরিখ নরকিয়া। তবে প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দারুণ ব্যাটিং করেছেন ম্যাট রেনশ। তিনি ৮২ রান করে ফেরেন। পাশাপাশি মার্নাস ল্যাবুশেনের ৩৭, স্টিভেন স্মিথের ২৭ ও অ্যালেক্স ক্যারির ২৪ রানের ইনিংসে সাউথ আফ্রিকাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো সংগ্রহ পেয়ে যায় অজিরা।
শেষদিকে বেউ ওয়েবস্টার ৪৩ বলে ৩৯ ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ১২ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থেকে প্রোটিয়াদের সামনে চারশ পেরোনো লক্ষ্য ছুড়ে দেয় অজিরা। ওয়েবস্টার ও কামিন্সের জুটি শেষ পর্যন্ত অক্ষত থাকে ৪৪ রানে। সাউথ আফ্রিকার বোলারদের মধ্যে নরকিয়া ও কেশভ মহারাজ নেন দুটি করে উইকেট। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মার্কো জানসেন ও উইয়ান মুল্ডার।