এইডেন মার্করাম ১৫ ও ১২ রান করে অপরাজিত আছেন ডেভিড বেডিংহ্যাম। এর আগে শূন্য রানেই আউট করেছেন প্রোটিয়া ওপেনার রায়ান রিকেলটন। তিনি জশ হ্যাজেলউডের বলে ফ্রন্টফুট ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন কাভার দিয়ে। তবে বল এজ হয়ে চলে যায় স্লিপ কর্ডনে। থার্ড স্লিপে থাকা বেউ ওয়েবস্টার ক্যাচ নিতে ভুল করেননি। বাকি সময়টা দেখেশুনেই পাড়ি দিয়েছেন মার্করাম ও বেডিংহ্যাম।
এর আগে ৬ উইকেটে ১৮৭ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করেছিল অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে প্যাট কামিন্সকে নিয়ে অজিদের ইনিংস টেনে নিয়ে যান রেনশ। সপ্তম উইকেটে দুজনে মিলে গড়েন ৮৭ রানের জুটি। কামিন্স ৪৩ রান করে উইয়ান মুল্ডারের বলে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন।
এরপর নাথান লায়নকে নিয়ে ১৩৪ রানের আরেকটি জুটি গড়েন রেনশ। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে নবম উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটির রেকর্ড। লায়নকে সাথে নিয়েই সেঞ্চুরি তুলে নেন রেনশ। লাঞ্চের ঠিক আগে লেগ সাইডে চার মেরে তিন অঙ্কে পৌঁছান এই অজি ব্যাটার। দ্বিতীয় সেশনে তুলে নেন দেড়শ। লায়ন ফেরেন ৯২ বলে ২৭ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে।
যদিও ১০ রানের জন্য ডাবল সেঞ্চুরির সুযোগ হারিয়েছেন রেনশ। সাইমন হার্মারের বলে স্লিপে কুয়াচ দিয়ে আউট হন তিনি। এটাই তার ক্যারিয়ার সেরা রানের রেকর্ড। এর আগে সেঞ্চুরি একটাই পেয়েছেন রেনশ। সেটা ২০১৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিডনিতে। সেই ইনিংসে ১৮৪ রান করেছিলেন তিনি। হ্যাজেলউড ৫ রানে অপরাজিত থাকলেও রেনশ ফিরলে অস্ট্রেলিয়া অল আউট হয়ে যায়।
সাউথ আফ্রিকার সবচেয়ে সফল বোলার মুল্ডার। তিনি ৬৮ রানে তুলে নিয়েছেন ৪ উইকেট। পাশাপাশি মার্কো জানসেন নিয়েছেন ৩টি উইকেট। দ্বিতীয় সেশনে যদিও দুজনই রেনশর বিপক্ষে বল করতে ধুঁকেছেন। অন্যদিকে দুই স্পিনার হার্মার ও মহারাজ ৪৮.২ ওভার বোলিং করে মোটে একটি উইকেট নিয়েছেন।