আফগানদের এমন দলকে মাত্র ১০২ রানে থামিয়ে দিয়েছে নেপাল। দুই স্পিনার কুশাল ভুর্তেল ও ললিত রাজবংশী মিলে নিয়েছেন সাত উইকেট। রান তাড়ায় নেপালও খানিকটা চাপে পড়েছিল। তবে তাদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করেছেন সন্দীপ ঝরা ও রোহিত পাউডেল। তাদের দুজনের ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংসে ১৬ বল বাকি থাকতেই ৫ উইকেটের জয় পেয়েছে। এমন জয়ে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে গেল। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নেপালের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক জাপান।
সেই ম্যাচে তাদেরকে হারাতে পারলেই ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হবে নেপাল। তাতে কোয়ার্টার ফাইনালে খানিকটা স্বস্তি পাবে তারা। কারণ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলে সুযোগ থাকবে ভারতকে এড়িয়ে যাওয়ার। এশিয়ান গেমসের নিয়ম অনুযায়ী, কোয়ার্টার ফাইনালে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। রানার্স আপ হলে তাদের খেলতে হবে ভারতের মতো দলের সঙ্গে। এমন অবস্থায় নেপাল গ্রুপ সেরা হতে পারলে তাদের প্রতিপক্ষ হবে শ্রীলঙ্কা।
জাপানের কারোগি স্পোর্টস পার্কের ধীরগতির উইকেটে টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। তবে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি করিম, ইসাখিল ও অধিনায়ক রাসুলি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেছেন নাজিবউল্লাহ ও ফয়সাল শিনোজাদা। তাতে বরং একশ রান পার করতে পেরেছে আফগানিস্তান। নেপালের হয়ে কুশাল চারটি ও ললিত নিয়েছেন তিনটি উইকেট।
রান তাড়ায় ১২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে নেপালও। কুশাল মাল্লাও সুবিধা করতে পারেনি। দ্রুতই কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লে ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন সন্দীপ ও রোহিত। তবে দলের রান পঞ্চাশ হওয়ার পরই ৩৪ রানের ইনিংস খেলে ফিরতে হয় সন্দীপকে। তবে দীপেন্দ্র সিং আইরিকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের পথ সুগম করেন রোহিত। দীপেন্দ্র ১৫ রানে ফিরলেও রোহিত অপরাজিত ছিলেন ৩৩ রানে।