বাংলাদেশ ও নেপাল এখনো পর্যন্ত দ্বিপাক্ষিক সিরিজে মুখোমুখি হয়নি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই দেশ মাত্র দুইবার খেলার সুযোগ পেয়েছে। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবার নেপালের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলে বাংলাদেশ। চট্টগ্রামে সেবার ৮ উইকেটের বড় জয় পায় স্বাগতিকরা। ১০ বছর পর আবারও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয় তারা।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে ২১ রানের জয় পেয়েছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত-লিটন দাসরা। প্রথমবারের মতো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে কিছুদিন আগেই বিসিবির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দিয়েছে নেপাল। তাদের সেই প্রস্তাব নিয়ে ইতিবাচকভাবে ভাবছে বিসিবি।
এ প্রসঙ্গে নাফিস বলেন, ‘নেপাল ক্রিকেট বোর্ড আমাদের কাছে বেশ কিছুদিন আগেই একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছিল, যেখানে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলার আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও তাদের এই প্রস্তাবটি বেশ ইতিবাচকভাবে নিয়েছে।’
২০২৭ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়াতে হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগামী আসর। সেই টুর্নামেন্টের আগে ব্যস্ত সময় পার করবে বাংলাদেশ। ভবিষ্যৎ সফর পরিকল্পনা অনুযায়ী বেশিরভাগ সিরিজই আগে থেকে নিশ্চিত করা। তবে নির্ধারিত সূচির বাইরে গিয়ে কয়েকদিন সময় বের করে নেপালের সঙ্গে সিরিজ খেলতে কাজ করছে বিসিবি।
নাফিস বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং নেপাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে কথা হচ্ছে, যদি সবকিছু ঠিকঠাক মতো মেলে—কারণ আমরা জানি যে আমাদের ভবিষ্যৎ সফর পরিকল্পনা (এফটিপি) বেশ ঠাসা। এরপরও আমরা এই চক্রের মধ্যে একটি সুবিধাজনক সময় ইতিবাচকভাবে বেছে নেওয়ার চেষ্টা করছি। সবকিছু ঠিকঠাক মতো হলে আশা করি এই সিরিজটি হতে পারে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘হ্যাঁ, চক্রটা তো ২০২৭ সাল পর্যন্ত। এই চক্রের মধ্যেই আমাদের ইচ্ছা আছে এবং নেপাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সেই অনুরোধও আছে। তাই আমরা এটি নিয়ে ইতিবাচকভাবে কাজ করছি। এটি যখন বলার মতো কোনো পর্যায়ে পৌঁছাবে বা আমরা এমন একটা অবস্থানে আসতে পারব যেখানে বলতে পারব যে হচ্ছে কি হচ্ছে না, তখন আমরা যথাসময়ে তা জানিয়ে দিতে পারব।’