আয়ারল্যান্ড সফরের আগে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব পান আইয়ার। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে শুরুটা সুখকর হয়নি। দুই ম্যাচের সিরিজে দুটি ম্যাচেই হেরে প্রথমবারের মতো আয়ারল্যান্ডের কাছে দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি সিরিজ খোয়ায় ভারত। এই ব্যর্থতার পরও গাভাস্কারের মতে, নতুন কোচ ও অধিনায়কের সমন্বয় গড়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবেই।
সনি স্পোর্টসের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, 'যেকোনো নতুন সম্পর্কের ক্ষেত্রেই একে অপরকে বুঝে নিতে কিছুটা সময় লাগে। কোচিং স্টাফ ও খেলোয়াড়দেরও বুঝতে হয়, তাদের কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করা হচ্ছে। তাই সবকিছু ঠিকঠাকভাবে গুছিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগবে। আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।'
গাভাস্কার মনে করেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়াসের সামর্থ্য নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। আইপিএলে তিনি বিভিন্ন দলকে সাফল্য এনে দিয়েছেন। দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংসকে ফাইনালে তুলেছেন, আর কলকাতা নাইট রাইডার্সকে শিরোপাও জিতিয়েছেন। তবে ঘরোয়া বা ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের সাফল্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধরে রাখা মোটেও সহজ নয়।
তিনি বলেন, 'টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়াস আইয়ারের সামর্থ্য আগেই প্রমাণিত হয়েছে। আমরা তাকে ট্রফি জিততে, দলকে নকআউট ও ফাইনালে তুলতে দেখেছি। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্পূর্ণ ভিন্ন এক চ্যালেঞ্জ। অনেক ক্রিকেটার আছেন যারা ঘরোয়া বা প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দারুণ সফল, কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সেই সাফল্য ধরে রাখতে কিছুটা বেগ পেতে হয়।'
সাবেক এই ভারতীয় অধিনায়ক আরও বলেন, 'শ্রেয়াসের ক্ষেত্রে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। এটি ছিল তার অধিনায়ক হিসেবে মাত্র প্রথম দুই ম্যাচ। অবশ্যই আয়ারল্যান্ডের কাছে এই হার মেনে নেওয়া কঠিন। কিন্তু পরের পাঁচ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সে কেমন নেতৃত্ব দেয়, সেটি দেখার জন্য আমাদের ধৈর্য ধরতে হবে।'
আয়ারল্যান্ড সফরের হতাশা কাটিয়ে আগামী ১ জুলাই পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে ভারত।