বাংলাদেশকে ইনিংস ব্যবধানে হারাল জিম্বাবুয়ে

জিম্বাবুয়ে-বাংলাদেশ সিরিজ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
হারারের পাঁচ দিনের ম্যাচে তৃতীয় দিনেই বাংলাদেশকে হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে ইনিংস এবং ৮৫ রানে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। জিম্বাবুয়ের ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। আড়াই দিনে হেরে যাওয়া বাংলাদেশ এই টেস্টে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়তে পারেনি। প্রথম ইনিংসে ১৪০ রানে অল আউট হয় টাইগাররা। এরপর ইনোসেন্ট কাইয়ার সেঞ্চুরিতে ৪১০ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। এরপর ১৮৫ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।

তৃতীয় দিনের প্রথম সেশন থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দিনের শুরুতেই উইকেট হারানোর পর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও, তাদের বিদায়ে আবারও চাপে পড়ে সফরকারীরা।


দ্বিতীয় ইনিংসে ২৩০ রানে পিছিয়ে ব্যাটিং শুরু করা বাংলাদেশ প্রথম ধাক্কা খায় মাহমুদুল হাসান জয়ের উইকেটে। আগের দিনের সংগ্রহে মাত্র এক রান যোগ করেই ২৩ রান করে গালিতে ক্যাচ দেন এই ওপেনার। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মুমিনুল হকও। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে তৃতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ১৩ রানেই থামেন তিনি।


চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম। ধৈর্য নিয়ে ব্যাটিং করে তারা চতুর্থ উইকেটে ৬১ রানের জুটি গড়েন। এই জুটিতে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও সেটি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।


নিউম্যান নিয়ামুরির নিচু ফুলটসে বোল্ড হয়ে ৩০ বলে ২৪ রান করে ফেরেন শান্ত। অধিনায়কের বিদায়ের দুই ওভার পর মুশফিকও ব্লেসিং মুজারাবানির শিকার হন। ৬২ বলে ৩৪ রান করে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ইনিংস শেষ হয় তার।


মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় পাঁচ উইকেটে ১১৭ রান। এরপর আউট হন তাওহিদ হৃদয়। মুজারাবানির বল ১৭ বলে ৯ রান করা এই ব্যাটারের ব্যাটের কানায় লেগে চলে গেছে দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো ফিল্ডারের হাতে।


২৩ বলে আট রানে ফিরে যান তাইজুল ইসলামও। তাকে ফেরান ব্র্যাড ইভান্স। শেষদিকে ১৭ বলে ১৫ রান আসে হাসান মাহমুদের ব্যাটে। ইবাদত হোসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

আরো পড়ুন: