দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেটে ২৫২ রান করেছে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসের ১০০ রানের লিডের সঙ্গে যোগ হয়ে তাদের মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৩৫২ রান, যা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই সফরকারীদের দিকে নিয়ে গেছে।
লর্ডস টেস্টের পর কেন উইলিয়ামসনের আকস্মিক অবসরের কারণে একাদশে সুযোগ পান হেনরি নিকোলস। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুর্দান্ত একটি ইনিংস খেলেছেন তিনি। ১৬৪ বলে ১১৯ রান করে অপরাজিত আছেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। এটি তার টেস্ট ক্যারিয়ারের একাদশ সেঞ্চুরি।
নিকোলসের ধারাবাহিকতাও নজর কাড়ছে। নিজের আগের টেস্টেও তিনি শতকের দেখা পেয়েছিলেন। গত বছরের অগাস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলেছিলেন অপরাজিত ১৫০ রানের ইনিংস। ওভালেও সেই আত্মবিশ্বাসের প্রতিফলন দেখা গেছে তার ব্যাটে।
এর আগে দিনের শুরুতে ছয় উইকেটে ২২২ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে ইংল্যান্ড। তবে প্রথম ঘণ্টার মধ্যেই ২৩৮ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। জর্ডান কক্স, জফরা আর্চার ও জশ টাংকে দ্রুত ফিরিয়ে দিয়ে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন ম্যাট হেনরি।
টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি হেনরির সপ্তমবারের মতো এক ইনিংসে পাঁচ বা তার বেশি উইকেট শিকার। তার বোলিংয়ে ইংল্যান্ড আড়াইশ রানের নিচে থেমে যাওয়ার শঙ্কায় পড়লেও শেষদিকে ম্যাথু ফিশারের লড়াকু ব্যাটিং দলকে ২৯১ রানে পৌঁছে দেয়। ৭৭ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।
দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ড অবশ্য শুরুতে ধাক্কা খায়। ২৮ রানের মধ্যেই টম লাথাম ও ডেভন কনওয়েকে হারায় তারা। তবে রাচিন রবীন্দ্র জীবন পেয়ে ইনিংস গড়ে তোলেন। সাত রানে থাকা অবস্থায় তার ক্যাচ ছাড়েন অভিষিক্ত উইকেটরক্ষক জেমস রু। পরে নিকোলসের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ১৬১ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন তিনি।
রাচিন ৭৬ রান করে ফিরলেও নিকোলস থামেননি। ১৩৬ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করে নিউজিল্যান্ডকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যান তিনি। দিনের শেষ পর্যন্ত ড্যারিল মিচেলের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন ৬৩ রানের জুটি গড়ে অপরাজিত থাকেন। মিচেল ৩২ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন।