রাওয়ালপিন্ডিতে রান তাড়ায় ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিলেন মাজ সাদাকাত ও শাহিবজাদা ফারহান। তবে তাদের দুজনের জুটি বড় হতে দেননি ম্যাথু কুনেমান। ১৪ বলে ৮ রান করে ফিরতে হয় সাদাকাতকে। উইকেটে থিতু হয়েছিলেন শাহিবজাদা। তবে তিনিও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। তানভীর সাঙ্গার বলে শর্টের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ৩৩ বলে ২৮ রানের ইনিংস খেলে।
৪৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর পাকিস্তানের হাল ধরেন বাবর ও ঘোরি। তারা দুজনে মিলে শতরানের জুটি গড়েন। সাবধানী ব্যাটিংয়ে ৭১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন বাবর। ঘোরি পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ৭৭ বলে। তাদের দুজনকেই অবশ্য হাফ সেঞ্চুরির পর ফিরতে হয়েছে। নাথান এলিসের ব্যাক অব লেংথ স্লোয়ার ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন বাবর।
৯৪ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। ঘোরি আউট হয়েছেন ৯২ বলে ৬৫ রান করে। তাকেও ফিরিয়েছেন এলিস। পরবর্তীতে মিনহাস ১৭ বলে ১৮ রান করলে ৫ উইকেটের জয় পায় পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এলিস দুইটি উইকেট পেয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছেন কুনেমান, সাঙ্গা ও ল্যাবুশেন।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্রুতই ফেরেন অ্যালেক্স ক্যারি। ২৪ বলে ১৯ রান করা বাঁহাতি উইকেটকিপার ব্যাটারকে ফেরান আবরার আহমেদ। শর্টের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন জশ ইংলিস। তবে তাকে থিতু হতে দেননি মিনহাস। ২২ বলে ১৩ রান আউট হয়েছেন তিনি। মার্নাস ল্যাবুশেনও ফিরেছেন দ্রুতই। ক্যামেরন গ্রিনকেও টিকতে দেননি মিনহাস।
৬৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর শর্ট ও রেনশ। দলের রান একশ হওয়ার পর আউট হয়েছেন হাফ সেঞ্চুরিয়ান শর্ট। ৭৬ বলে ৫৫ রান করেছেন তিনি। ৬৩ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলেছেন রেনশ। এ ছাড়া কুনেমান ২৪ রান করেছেন। ওয়ানডে অভিষেকেই পাকিস্তানের প্রথম বোলার হিসেবে ৫ উইকেট নিয়েছেন মিনহাস। ১০ ওভারে ৩২ রান খরচায় ফিরিয়েছেন ইংলিস, ল্যাবুশেন, গ্রিন, শর্ট ও এলিসকে