মার্চে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে তিন ম্যাচে মাত্র ৫৮ রান করেছিলেন রিজওয়ান। ছন্দে নেই টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও। সীমিত ওভারের দলে তাই রিজওয়ানের ভূমিকা নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট ছিলেন না পাকিস্তানের সাদা বলের দুই ফরম্যাটের কোচ মাইক হেসন। যার কারণে ওয়ানডে দল থেকে রিজওয়ানের বাদ পড়ার গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই। তাই লাল বলের ক্রিকেটে ফর্মে থাকলেও ওয়ানডে ফরম্যাটের দলে রিজওয়ানকে রাখেননি হেসন।
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে ৩০ মে থেকে ৪ জুন পর্যন্ত। ম্যাচগুলো হবে রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরে। দলকে নেতৃত্ব দেবেন বাঁহাতি পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি। এদিকে বাংলাদেশ সফরের ওয়ানডে দলে না থাকা নাসিম শাহ, শাদাব খান এবং সুফিয়ান মুকিমকে আবার দলে ডাকা হয়েছে।
দলে জায়গা পাওয়া আহমেদ দানিয়াল, আরাফাত মিনহাস এবং রোহাইল নাজির এখনো পাকিস্তানের হয়ে ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় আছেন। অসুস্থতার কারণে উসমান খানকে বিবেচনা করা হয়নি। ফলে স্কোয়াডে উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে রাখা হয়েছে মুহাম্মদ গাজি ঘৌরি ও রোহাইল নাজিরকে।
বাংলাদেশ সিরিজে খেলা সালমান আলী আঘা, আবদুল সামাদ, আবরার আহমেদ, মাজ সাদাকাত, মুহাম্মদ গাজি ঘৌরি, সাহেবজাদা ফারহান এবং শামিল হুসাইনও নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছেন। অন্যদিকে চোটের কারণে আগে থেকেই ছিটকে পড়া ফখর জামান এবং সাইম আইয়ুবকেও অনুমিতভাবেই এই সিরিজের জন্যও বিবেচনা করা হয়নি। তারা দুজনই বর্তমানে পিসিবির মেডিকেল প্যানেলের তত্ত্বাবধানে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন।
১৬ সদস্যের দলটি ২৩ মে থেকে রাওয়ালপিন্ডিতে কোচিং স্টাফের অধীনে অনুশীলন শুরু করবে। অস্ট্রেলিয়া দল ২৩ মে ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তারা অনুশীলনও করবে।
পাকিস্তানের স্কোয়াড: শাহীন শাহ আফ্রিদি (অধিনায়ক), সালমান আলি আঘা (সহ-অধিনায়ক), আবদুল সামাদ, আবরার আহমেদ, আহমেদ দানিয়াল, আরাফাত মিনহাস, বাবর আজম, হারিস রউফ, মাজ সাদাকাত, মুহাম্মদ গাজি ঘৌরি (উইকেটরক্ষক), নাসিম শাহ, রোহাইল নাজির (উইকেটরক্ষক), সাহেবজাদা ফারহান, শাদাব খান, শামিল হুসাইন এবং সুফিয়ান মুকিম।