ম্যাচে ৪৭ বলে ৯৬ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন বৈভব। শতরানের খুব কাছে গিয়েও থামতে হলেও তার ব্যাটিং মুগ্ধ করেছে ক্রিকেটপ্রেমীদের। গুজরাটের জয় নিশ্চিত হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের সামনে বৈভবকে প্রশংসায় ভাসান গিল।
তিনি বলেন, 'ওর দুর্দান্ত একটি মৌসুম কেটেছে। আমি এরকমভাবে কাউকে ব্যাট করতে দেখিনি। এখন ও বিশ্বের সেরা ব্যাটারদের একজন। শুধু ওর শট খেলা নয়, ব্যাট ঘোরানোর ধরন আর হাতের গতি- সবই অসাধারণ।'
তরুণ এই ব্যাটারের মানসিক দৃঢ়তারও প্রশংসা করেন গুজরাটের অধিনায়ক। তার ভাষায়, 'প্রতিপক্ষ যত শক্তিশালীই হোক, ও ভয় পায় না। কোনো বোলারের নাম দেখে না। প্রথম বল থেকেই প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার চেষ্টা করে। আমার মনে হয়, ভবিষ্যতে ওকে সামলানো অনেক দলের জন্য কঠিন হবে।'
গুজরাটের বড় সংগ্রহ তাড়া করতে নেমে শুরুতে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন বৈভব। পরিস্থিতি বুঝে প্রথমে ইনিংস গড়ার দিকে মন দেন, পরে আবার আক্রমণাত্মক রূপে ফিরে যান। সেই চেষ্টায় দলকে লড়াইয়ে রাখলেও শতরানের আগমুহূর্তে তার ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে।
তবে মৌসুমজুড়ে বৈভবের পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। আইপিএল ইতিহাসে দ্রুততম এক হাজার রানের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তার নাম। মাত্র ২৩ ইনিংসে এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন তিনি। একই সঙ্গে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ছক্কার (৭২টি) নতুন রেকর্ডও গড়েছেন।
ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙে গেলেও ব্যাট হাতে দারুণ এক মৌসুম কাটিয়েছেন বৈভব। ১৬ ম্যাচে ৭৭৬ রান করে তিনি এখনো সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকার শীর্ষে আছেন। একটি সেঞ্চুরি ও পাঁচটি ফিফটিতে সাজানো এই মৌসুমে ১৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার নিজের সামর্থ্যের শক্ত প্রমাণ দিয়েছেন।