আইসিসির ত্রৈমাসিক বৈঠকের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিতব্য সভা মূলত মার্চ-এপ্রিল মাসে কাতারের দোহায় হওয়ার কথা ছিল। তবে অঞ্চলটির সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে সভাটি ভারতের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই শহরেই অনুষ্ঠিত হবে আইপিএল ফাইনাল। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার তাদের একটি প্রতিবেদনে দুইটি আয়োজনেই নাকভির আমন্ত্রণ পাবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জিও সুপারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের (ডব্লিউটিসি) ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে আইসিসি একাধিক সভার আয়োজন করতে যাচ্ছে। এর মধ্যে থাকবে প্রধান নির্বাহীদের কমিটি (সিইসি) সভা এবং বোর্ড সভা। সিইসি সভা আগামী ২১ মে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হবে। আর সরাসরি বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ৩০ ও ৩১ মে আহমেদাবাদে। একই শহরের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ৩১ মে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ আইপিএলের ফাইনাল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, স্বাভাবিকভাবেই পিসিবি সভাপতি ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাকভির সরাসরি উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ভারত ও পাকিস্তান সরকারের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক এবং দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের টানাপোড়েনের কারণে তার অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
পিসিবি সভাপতি সেই আমন্ত্রণপত্র পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে পাঠিয়েছেন ইতোমধ্যেই। নাকভি সীমান্ত পেরিয়ে আইসিসি সভা ও আইপিএলের ফাইনালে অংশ নিতে যাবেন কি না সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। এর আগে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতির দায়িত্বে থাকা নাকভির কাছ থেকে গত বছরের এশিয়া কাপের শিরোপা নিতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ভারত। তাই দুই দেশের রাজনৈতিক ও ক্রিকেট অঙ্গনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে নাকভির ভারতে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়টি।