সামাজিক মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে নাকভি জানান, দর্শকদের মাঠে প্রবেশের অনুমতির জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছিলেন। তিনি বলেন, শুরু থেকেই এ বিষয়ে ইতিবাচক ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, তবে চলমান ব্যয় সংকোচন নীতির কারণে প্রয়োজনীয় সতর্কতার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।
দলগুলোর মালিকদের পক্ষ থেকেও একই দাবি ওঠার পর বিশেষ বিবেচনায় এই অনুমতি দেয়া হয়। ফলে সমর্থকেরা সরাসরি মাঠে বসে ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছেন। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন নাকভি।
দেশজুড়ে চলমান ব্যয় সংকোচন কর্মসূচির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত এসেছে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা, বিশেষ করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে পরিস্থিতির কারণে সম্ভাব্য তেল সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যার প্রেক্ষিতেই সরকার এই কর্মসূচি চালু করেছে।
সরকারের লক্ষ্য জ্বালানি ব্যবহারে সংযম আনা এবং অর্থনৈতিক চাপ মোকাবেলা করা। একই সঙ্গে বড় ক্রীড়া আয়োজনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও যেন বজায় থাকে, সেই দিকটিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে এই সিদ্ধান্তে।