বিশ্বকাপের বাইরে আফগানিস্তানের সাথে আর খেলবে না ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ড ক্রিকেট
হ্যারি ব্রুক ও রশিদ খান, ফাইল ফটো
হ্যারি ব্রুক ও রশিদ খান, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
‎আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের অধীনে নারী ও শিশুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং বিশেষ করে নারীদের খেলাধুলায় নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে এর আগে আফগানিস্তানের সাথে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলত অস্বীকৃতি জানায় অস্ট্রেলিয়া। এবার আইসিসি টুর্নামেন্ট ব্যতীত আফগানিস্তানের সাথে কোনো ধরণের ম্যাচ বা সিরিজ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। তালেবান শাসনের অধীনে নারীদের অধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এই কথা জানান ইসিবির সভাপতি রিচার্ড থম্পসন। ‎

সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ বয়কটের আহবান জানিয়েছিলেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ১৬০ জন সংসদ সদস্য। তবে আইসিসি ইভেন্টের ম্যাচ হওয়ায় রাজনৈতিক চাপের মুখেও সেই ম্যাচে অংশ নিয়েছিল ইংল্যান্ড। এবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে ভবিষ্যত ম্যাচগুলো নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ইসিবি।

‎বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পরবর্তী আসর থেকে ১২ দল নিয়ে এ আসর আয়োজনের পরিকল্পনা করছে আইসিসি। টেস্ট খেলুড়ে ১২ দেশ নিয়েই এই টুর্নামেন্ট আয়োজিত হলে আফগানিস্তানের সাথে দ্বিপাক্ষিক টেস্ট সিরিজ খেলার সম্ভাবনা তৈরি হতো ইংল্যান্ডের। তবে, আইসিসির ওয়ার্কিং গ্রুপ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সূচি নির্ধারণের স্বাধীনতা দিয়েছে ক্রিকেট বোর্ডগুলোকে।

‎ইসিবি জানিয়েছে, সেই স্বাধীনতা ব্যবহার করেই তারা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপেও আফগানিস্তানের বিপক্ষে সম্ভাব্য সিরিজ বর্জন করবে। ইসিবি সভাপতি থম্পসন বলেন, 'আফগানিস্তানের নারী শিক্ষা ও নারীদের শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনে নানান অংশগ্রহণের ব্যাপারে কঠোরতা ও ক্রিকেট খেলার ওপর বিধিনিষেধ প্রয়োগ করায় তালেবান সরকারের সাথে ক্রীড়া সম্পর্ক রাখা ঠিক মনে করছে না ইসিবি।'

‎আইসিসি ইভেন্টগুলোতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ালে শাস্তির মুখোমুখি হবার সম্ভাবনা থাকে যেকোনো দলের জন্য। তাই, ইসিবির অবস্থান হলো শুধুমাত্র বাধ্যতামূলক পরিস্থিতিতেই তারা আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে। এছাড়া সিরিজ আয়োজনসহ এখন থেকে আফগানিস্তানের সাথে সকল ধরণের সম্পর্ক বর্জন করবে তারা।

আরো পড়ুন: