তিনি জানিয়েছেন অনুমোদনহীন এই টুর্নামেন্টে খেলার কারণে নিষেধাজ্ঞা হবে জানলে তিনি সম্ভবত সেখানে খেলতেন না। ইসিবি আগেই জানিয়েছে এই লিগে অংশ নেয়ায় ১২ মাস তারা ইংল্যান্ডের ঘরোয়া কোনো ম্যাচে অংশ নিতে পারবেন না। এরপরই নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন প্যাটেল।
পাশাপাশি তিনি নিশ্চিত করেছেন বিশ্বের অন্যান্য জায়গায় ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যাবেন। বিবিসি স্পোর্টের স্ট্র্যাটেজিক টাইমআউট প্রোগ্রামে প্যাটেল বলেন, ‘আমি সম্ভবত ওই ওয়ার্ল্ড লেজেন্ডস লিগে খেলতাম না। সেখানে আমরা খেলতে পারব কি না, তা নিয়ে অনেক অনিশ্চয়তা ছিল, কিন্তু এখন আর সেদিকে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। বিষয়টি আমার জন্য এই সিদ্ধান্তটাকে দ্রুত নিয়ে এসেছে।’
২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে প্যাটেল ইংল্যান্ডের হয়ে ৬০টি ম্যাচ খেলেছেন এবং নটিংহ্যামশায়ারের হয়ে ২২ বছরে ৬২৯টি ম্যাচে খেলেছেন এই অলরাউন্ডার। এরপর তিনি ২০২৪ সালে ডার্বিশায়ারের সঙ্গে দুই বছরের সাদা বলের চুক্তিতে যোগ দেন এবং গত বছরের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট শেষে ক্লাব ছাড়ার সময় তার চুক্তি শেষ হয়ে যায়।
নিষেধাজ্ঞা না থাকলে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে আরও এক বছর খেলতে চাইতেন বলে জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে প্যাটেল বলেন, ‘আমি এই গ্রীষ্মে খেলতাম। কয়েকটি কাউন্টির সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল, চুক্তি সই হয়নি ঠিকই, তবে আলোচনা চলছিল। তাই শেষ মুহূর্তে কোথাও একটা চুক্তি হয়ে যেত।’
রবি বোপারা চলতি বছরের শুরুতে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট শুরুর পর ২০০৩ সাল থেকে প্রতিটি আসরেই বোপারা এবং প্যাটেল ছিলেন নিয়মিত মুখ। এবার তাদের ছাড়াই অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টটি। অন্যদিকে সিডলও এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবেন না।