পুরুষ ক্রিকেটে স্টার্কের বছরজুড়ে পারফরম্যান্স ছিল অসাধারণ। তিনি ১১টি টেস্টে ৫৫ উইকেট শিকার করেন মাত্র ১৭.৩২ গড়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক ম্যাচে ছয় উইকেট নেয়ার পর অ্যাশেজ সিরিজেও ধারাবাহিকভাবে সফল ছিলেন এই পেসার।
অন্যদিকে নারী ক্রিকেটে দীপ্তি শর্মা ছিলেন ভারতের শিরোপা জয়ের অন্যতম নায়ক। সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ফাইনালে তার অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ভারত প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় করে। ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
ফাইনালে দীপ্তি ব্যাট হাতে ৫৮ রান করার পর বল হাতে পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পুরো আসরে তার রান ও উইকেট- দুটোই দলের সাফল্যে বড় ভূমিকা রাখে, যার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি টুর্নামেন্ট সেরাও নির্বাচিত হন।
এ বছরের বর্ষসেরা তালিকায় জায়গা পেয়েছেন ভারতের একাধিক ক্রিকেটার। শুভমান গিল, রবীন্দ্র জাদেজা, ঋষভ পান্ত এবং মোহাম্মদ সিরাজ ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্সের কারণে স্বীকৃতি পেয়েছেন।
এর মধ্যে শুভমান গিল পেয়েছেন বিশেষ একটি সম্মাননা, যেখানে তার একটি ম্যাচে বড় ইনিংস খেলাকে বছরের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আলাদা করে স্বীকৃতি পেয়েছেন অভিষেক শর্মা, যিনি দ্রুতগতির ব্যাটিংয়ে এক হাজারের বেশি রান করেছেন।