গত অ্যাশেজের সময় অ্যাডিলেড টেস্টে ফাইন লেগে ফিল্ডিং করার সময় চোট পেয়েছিলেন লায়ন। তাৎক্ষণিকভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছেড়ে যাওয়া ডানহাতি স্পিনার পরবর্তীতে ক্রাচে ভর করে স্টেডিয়াম ছেড়েছিলেন। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট গুরুতর হওয়ায় মেলবোর্ন টেস্টে খেলতে পারেননি। চোটের কারণে অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছে তাকে। বর্তমানে আছেন পুনর্বাসনে।
চলতি বছরের আগষ্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। সেই সিরিজ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট ফেরার কথা ভাবছেন লায়ন। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে ফিরতে পারবেন কিনা সেটা সংশয় আছে। ৩৮ বছর বয়সী লায়নের চোট নিয়ে বাস্তবাবাদী চিন্তা করার পরামর্শ দিয়েছেন বেইলি।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘৩৮ বছর বয়সী একজনেরজন্য হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট খুবই গুরুতর। এখানে বাস্তবতার বোধ থাকা প্রয়োজন। আগের মতো হয়ত এই পর্যায়ের ক্রিকেটে আর কখনো নাও ফিরে যেতে পারে। এই ধরনের ইনজুরি পর টানা অনেকগুলো ম্যাচ খেলার সক্ষমতা তার নাও থাকতে পারে এবং আপনাকে সেদিকে নজর দিতে হবে।’
২০২৭ সালের জানুয়ারিতে পাঁচ টেস্টের সিরিজ খেলতে ভারত সফর করবে অস্ট্রেলিয়া। স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি স্পিনার নিয়ে ভারত যেতে হবে তাদের। ইংল্যান্ডেও স্পিনারদের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে অজিরা। সেই সিরিজের ভাবনায় বেশ ভালোভাবেই আছেন টড মার্ফি ও ম্যাথু কুনেমান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ঘরের মাঠে সেভাবে স্পিনার খেলাচ্ছে না অস্ট্রেলিয়া। গত অ্যাশেজে সেটার প্রতিচ্ছবি দেখা গেছে। যার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে পেস উইকেট বানাতে পারে তারা। যার ফলে লায়নের ফেরা নিয়ে আরও সংশয় বাড়ছে।
এ প্রসঙ্গে বেইলি বলেন, ‘আমরা শুধু টডের (মার্ফি) সাথে সেই যোগাযোগ বজায় রাখার চেষ্টা করছি। তার স্কিলসেট আমাদের পছন্দ। আমরা জানি ভারতে আমাদের স্পিন শক্তি প্রয়োজন হবে। ইংল্যান্ডেও আমাদের কিছু স্পিন বিকল্প লাগবে। সাউথ আফ্রিকার ক্ষেত্রে (অক্টোবরে) এটা কতটা প্রযোজ্য হবে, তা পুরোপুরি নিশ্চিত নই। আর টপ এন্ডে (বাংলাদেশের বিপক্ষে) পরিস্থিতিটা এখনো অজানা।’