সবশেষ কয়েক বছরে নিয়মিতই হয়ে আসছে আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট। এদিকে প্রতি দুই বছর পর পর এশিয়া কাপ আয়োজন করে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি)। প্রতিটি বিশ্বকাপের আগে এশিয়ার দেশগুলোর প্রস্তুতি হিসেবে টুর্নামেন্টের আয়োজনকে প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে। যেখানে খেলে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের মতো দেশগুলো।
এবার এশিয়ার কাপের আদলে ইউরোপের শীর্ষ দেশগুলোকে নিয়ে ইউরো নেশন্স কাপ আয়োজনের কথা ভেবেছিল আয়ারল্যান্ড। তাদের পাশাপাশি ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস ও ইতালির মতো দেশগুলো অংশ নেওয়ার কথা ছিল। পুরুষদের পাশাপাশি মেয়েদের জন্যও একই ধরনের টুর্নামেন্ট করতে চেয়েছিল।
টি-টোয়েন্টি সংস্করণের টুর্নামেন্ট নিয়ে অবশ্য খুব বেশি আগ্রহী দেখায়নি ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। লর্ডসে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া মৌসুম শুরুর আগে গ্লাউড বলেন, ‘এটা (ইউরো নেশন্স কাপ) দারুণ একটা আইডিয়া। কিন্তু আমাদের সূচি একেবারে ঠাসা এবং সূচিতে আমরা আর কিছু যোগ করতে চাই না।’
গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইসিবির সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন ব্রায়ান ম্যাকনিস। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ইসিবির বড় কোনো কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়নি। তবুও টুর্নামেন্টকে নিয়ে বেশ আশাবাদী ছিলেন ম্যাকনিস। আগামী দুই মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট ধরন ও বিস্তারিত জানানোর ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে ম্যাকনিস বলেছিলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে আলোচনার জন্য বিষয়টি উত্থাপন করে রেখেছি। এটি এমন কিছু, যা নিয়ে আমার আবেগ প্রচণ্ড এবং যেটায় আমি মৌলিকভাবে বিশ্বাস করি।’
‘আলোচনা এখন এমন একটি পর্যায়ে বিকশিত ও পরিবর্তিত হয়েছে যে, এটি বাস্তবে হতে চলেছে বলে আমি এখন অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী… যথাসময়ে অনেক অংশীজন এটির অংশ হবেন, তবে আশা করছি যে এটি ২০২৭-এর গ্রীষ্মে শুরু হবে এবং এর সুনির্দিষ্ট ধরন ও বিস্তারিত সবকিছু যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে। আশা করছি, আগামী মাস দুয়েকের মধ্যেই তা হবে।’