এরপর তিনি নিজের লেন্থ ঠিক করতে কঠোর পরিশ্রম শুরু করেন। এর প্রতিদানও পেয়েছেন হাতেনাতে। গুজরাটের বিপক্ষে ৪১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে রাজস্থানের ছয় উইকেটের জয়ের ভিত গড়ে দেন। দারুণ পারফরম্যান্স করে ম্যাচসেরার পুরস্কারও পেয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের এই স্পিনার।
তিনি ম্যাচ শেষে বলেন, ‘গত মৌসুমটা কঠিন ছিল। আমার একটা দুর্বলতা ছিল, লেন্থ ঠিক না হলে চার আর ছক্কা খেতে হচ্ছিল। আমি পুরো একটি ঘরোয়া মৌসুম খেলেছি এবং লেন্থ ঠিক করার ওপর কাজ করেছি। লেন্থ ঠিক জায়গায় ফেলতে পারায় ব্যাটারদের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। তবে আজও যখন একটু ফুল লেন্থ করেছি, তখন মার খেয়েছি।’
গুজরাটের দুই ব্যাটার সাই সুদর্শন ও গ্লেন ফিলিপসকে গুগলি দিয়ে বিভ্রান্ত করেন বিষ্ণই। এ ছাড়া ওয়াশিংটন সুন্দরকে আউট করার পর ম্যাচের শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তুলে নেন রাহুল তেওয়াতিয়ার উইকেট। চারটি উইকেটের মধ্যে নির্দিষ্ট একটি উইকেট বেছে নিতে চান না বিষ্ণই।
যদি গুরুত্বের বিচারে তিনি তেওয়াতিয়ার উইকেটটিকেই এগিয়ে রাখছেন। এই বিষয়টি খোলাসা করে তিনি বলেন, ‘চারটি উইকেটই আমার প্রিয়, তবে শেষ দিকে রাহুলের উইকেটটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ সেটা ওই সময়েই এসেছে।’
২১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে গুজরাট ম্যাচে ফেরার হুমকি দিয়েছিল, ফলে রাজস্থানের জয়টা সহজ ছিল না। শেষ দুই ওভারে ৩ উইকেট হাতে নিয়ে গুজরাটের দরকার ছিল ১৫ রান। তবে জফরা আর্চার দুর্দান্ত পেনাল্টিমেট ওভারে দেন মাত্র ৪ রান। পাশাপাশি তুষার দেশপান্ডে শেষ ওভারে একই রান খরচ করে গুজরাটকে থামিয়ে দেন।
শেষ পর্যন্ত থাকতে পারলে তেওয়াতিয়া হুমকি হতে পারতেন সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিষ্ণই, ‘সে একজন ফিনিশার হিসেবে পরিচিত। সে যদি আউট না হতো, তাহলে ম্যাচ যেকোনো দিকে যেতে পারত।’