ক্রাইস্টচার্চে রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডের। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ফেরেন ক্যাটেন ক্লার্ক। মুল্ডারের লেংথ ডেলিভারিতে লেগ সাইডে খেলার চেষ্টায় উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন ২ রান করা ক্লার্ক। দ্বিতীয় উইকেটে অবশ্য প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন টিম রবিনসন ও ড্যান ক্লিভার। তাদের দুজনের ২৫ বলে ৩৫ রানের জুটি ভাঙেন বার্টম্যান। ডানহাতি পেসারের ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারিতে টপ এজ হয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দিয়েছেন ক্লিভার।
তিনে নেমে ১৭ বলে ২২ রান করেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। পাওয়ার প্লে শেষে খানিকটা চাপে পড়ে কিউইরা। প্রত্যাশিতভাবে রান তুলতে পারেননি রবিনসন ও নিক কেলি। নবম ওভারে রান আউট হয়েছেন ২০ বলে ২৫ রান করা রবিনসন। একটু পর আউট হয়েছেন কেলিও। ১৮ বলে ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। ৬৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে স্বাগতিকরা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন বেভান জ্যাকবস ও জিমি নিশাম।
অধিনায়ক নিশামকে সঙ্গে নিয়ে ৩২ বলে ৫২ রানের জুটি গড়েন জ্যাকবস। দ্রুত রান তোলার চেষ্টাও করেন তিনি। ১৯ বলে ৩৬ রান করা জ্যাকবসকে থামান বার্টম্যান। জশ ক্লার্কসন, কোল ম্যাকনকিরা কেউই সুবিধা করতে পারেননি। ইনিংসের শেষ ওভারে আউট হয়েছেন নিশামও। অধিনায়কের ব্যাট থেকে এসেছে ২৪ বলে ২৪ রান। কিউইদের ১৫৪ রানে থামানোর দিনে সাউথ আফ্রিকার হয়ে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন কোয়েতজে, মুল্ডার ও বার্টম্যান। একটি উইকেট পেয়ছেন স্পিনার কেশভ মহারাজ।
এর আগে টস হেরে বাটিংয়ে নেমে চতুর্থ ওভারে টনি ডি জর্জিকে হারায় সাউথ আফ্রিকা। ১৪ বলে ১২ রান করে জ্যাক ফকসের বলে আউট হয়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। দ্বিতীয় উইকেটে অবশ্য ৫৫ রানের জুটি গড়েন হারম্যান ও মুল্ডার। তাদের দুজনের জুটি ভাঙে মুল্ডারের বিদায়ে। দুইটি করে ছক্কা ও চারে ২৯ বলে ৩১ রান করেছেন মুল্ডার। লম্বা সময় টিকে থাকলেও হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি হারম্যানের।
৩১ বলে ৩৯ রান করা হারম্যানকে ফেরান বেন সিয়ার্স। চারে নেমে রীতিমতো তাণ্ডব চালান ইস্টারহাউজেন। একের পর এক চার-ছক্কায় মাত্র ২৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ডানহাতি এই ব্যাটার। আগের ম্যাচে ৩৬ বলে ৫৭ রান করা ইস্টারহাউজেন আউট হওয়ার আগে খেলেন ৩৩ বলে ৭৫ রানের ইনিংস। ডিওন ফরেস্টার করেছেন ১৩ বলে ২১ রান। ইস্টারহাউজেনের এমন ব্যাটিংয়ে ১৮৭ রানের পুঁজি পায় সাউথ আফ্রিকা। নিউজিল্যান্ডের হয়ে দুইটি উইকেট পেয়েছেন সিয়ার্স।