ভারতের বোলিং কোচ মর্নে মরকেল মনে করেন, এমন কন্ডিশনে টসের গুরুত্ব বাড়ে। বিশেষ করে শিশিরের প্রভাব ম্যাচের গতিপথে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও মনে করছেন তিনি।
'আমার মনে হয় শিশির সবসময়ই বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে টস তো আর নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। ওয়াংখেড়েতে সাধারণত বাড়তি বাউন্স থাকে। ব্যাটাররা বাউন্সে ভরসা করে বলের লাইনে এসে শট খেলতে পারে, আবার বোলারদেরও ম্যাচে ফেরার সুযোগ থাকে।'
প্রথম সেমিফাইনালে এই কন্ডিশনের প্রভাব দেখা গেছে বলে মনে করছেন অনেকেই। নিউজিল্যান্ড টস জিতে আগে বোলিং করে সাউথ আফ্রিকাকে আটকে রাখে ১৬৯ রানে। এরপর রান তাড়ায় নেমে দ্রুতই ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় কিউইরা।
ওপেনিং জুটিতে ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্ট দ্রুত রান তুলতে শুরু করেন। ৯ ওভারেই তাদের জুটিতে আসে ১৭৭ রান। সাইফার্ট ফিফটি করে আউট হলেও অ্যালেন সেঞ্চুরি পূর্ণ করে দলকে সহজ জয়ের দিকে নিয়ে যান।
মরকেল আরো বলেন, 'এখানে ব্যবধানটা খুবই সামান্য। বল দ্রুত ছোটে, মাঠও তুলনামূলক ছোট। তাই ম্যাচে সবসময় উপস্থিত থাকতে হবে এবং প্রতিটি বলে লড়াই করতে হবে।'
'এই মাঠে ব্যাটারদের শক্তির জায়গাই অনেক সময় দুর্বলতাও হয়ে যেতে পারে। তাই অতিরিক্ত রক্ষণাত্মক বা একটানা আক্রমণাত্মক হওয়ার সুযোগ নেই। ম্যাচের সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে যেকোনো সময় মোড় ঘুরতে পারে।'
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সাম্প্রতিক ইতিহাসেও ভারত–ইংল্যান্ড লড়াই বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ২০২২ সালে সেমিফাইনালে ১০ উইকেটে জিতে ফাইনালে উঠেছিল ইংল্যান্ড এবং পরে শিরোপাও জেতে। অন্যদিকে ২০২৪ আসরে ইংল্যান্ডকে হারিয়েই ফাইনালে উঠে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।