ইংল্যান্ডের পক্ষে শেষ দিনে বড় ভরসা ছিলেন জ্যাকব বেথেল। আগের দিন দারুণ ব্যাটিং করা বেথেল আজও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দিনের ৯.২ ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে তিনি আউট হয়ে যান। ২৬৫ বল খেলে ১৫৪ রানের ইনিংস খেলেন বেথেল। এরপর শেষ উইকেটে খুব বেশি রান যোগ করতে পারেনি ইংল্যান্ড।
সহজ লক্ষ্য হলেও রান তাড়া করতে নেমে শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ড ভালো শুরু এনে দিলেও দ্রুত কয়েকটি উইকেট পড়ে যায়। ১২১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচে সামান্য উত্তেজনা তৈরি হয়।
হেড ২৯ ও ওয়েদারাল্ড ৩৪ রান করে আউট হন। অধিনায়ক স্টিভ স্মিথও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। উসমান খাওয়াজা মাত্র ৬ রান করে আউট হলে সিডনির দর্শকরা তাঁকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানান। এটি ছিল তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
এরপর মারনাস ল্যাবুশেন ৩৭ রান করে রানআউট হলে অস্ট্রেলিয়ার চাপ আরও বাড়ে। তবে সেই চাপ সামলে নেন অ্যালেক্স ক্যারি ও ক্যামেরন গ্রিন। দুজনই ধৈর্য ধরে ব্যাটিং করে দলের বিপদ কাটান।
ষষ্ঠ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৪০ রানের জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন ক্যারি ও গ্রিন। ক্যারি ১৬ ও গ্রিন ২২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে পাঁচ উইকেটের জয় এনে দেন।
এই জয়ের মাধ্যমে পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজে ৪–১ ব্যবধানে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া। সিডনি টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১৬৩ রান করায় ম্যাচসেরা হন ট্রাভিস হেড। পুরো সিরিজে ৩১ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরার পুরস্কার পান মিচেল স্টার্ক।