অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ১৮৩ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। মিচেল স্টার্কের গুড লেংথ ডেলিভারি ছেড়ে দিয়ে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন জ্যাক ক্রলি। রিভিউ নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি ইংলিশ ওপেনারের। দ্বিতীয় উইকেটে বেন ডাকেটের সঙ্গে জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন বেথেল। পুরো অ্যাশেজে ভালো করতে না পারলেও এবার ভালো শুরু পেয়েছিলেন ডাকেট। যদিও হাফ সেঞ্চুরি করতে পারেননি তিনি।
মাইকেল নেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাট করতে গিয়ে বটম এজে বোল্ড হয়েছেন ৫৫ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলা বাঁহাতি ওপেনার। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি জো রুট। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৬ রানে ফিরেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। সাবধানী ব্যাটিংয়ে ৮৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছেন বেথেল। পরবর্তীতে ২২ বছর বয়সি ব্যাটারকে দারুণভাবে সঙ্গ দিয়েছেন ব্রুক।
দুজনই আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ওয়েবস্টারের বলে চার মেরে ১৬২ বলে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি পেয়েছেন বেথেল। পাশাপাশি ব্রুকের সঙ্গে একশ রানের জুটিও গড়েন। আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগালেও ৪৮ বলে ৪২ রান করে ফেরেন ব্রুক। দ্রুতই ফিরেছেন জ্যাকস। জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি স্মিথ। ৪১ বলে ২৬ রান করে আউট হয়েছেন।
শেষ বিকেলে ব্রাইডন কার্স, স্টোকসও ফিরেছেন দ্রুতই। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৩০২ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করেছে ইংল্যান্ড। বেথেল ২৩২ বলে ১৪২ ও ম্যাথু পটস অপরাজিত আছেন ১০ বলে রানের খাতা না খুলেই। অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ১১৯ রানে এগিয়ে থেকে পঞ্চম দিনের সকালে ব্যাটিংয়ে নামবেন বেথেল ও পটস। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওয়েবস্টার তিনটি এবং স্কট বোল্যান্ড নিয়েছেন দুইটি উইকেট। এ ছাড়া একটি করে উইকেট পেয়েছেন নেসার ও স্টার্ক।
এর আগে সকালের শুরুতে ৭ উইকেটে ৫১৮ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় দিনের সঙ্গে ৯ রান যোগ করে আউট হয়েছেন স্টিভ স্মিথ। ২২০ বলে ১৩৮ রানের ইনিংস খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৬৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ওয়েবস্টার। স্বাগতিকরা ৫৬৭ রানে অল আউট হলেও পেস বোলিং অলরাউন্ডার অপরাজিত ছিলেন ৭১ রানের ইনিংস খেলে। ইংল্যান্ডের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন জশ টাং এবং কার্স।