ঢাকা ক্যাপিটালসের হয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে ৫০ বলে ৯০ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেছেন তিনি। ইনিংস জুড়ে ছিল ১৪টি চার ও ২টি ছক্কা। এরপর ঢাকা ম্যাচ জিতেছে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে। এর আগে নাসিরের সর্বোচ্চ রানের টি-টোয়েন্টি ইনিংসটি ছিল বিপিএলেই।
২০১৩ সালে রংপুর রাইডার্সের হয়ে তিনি ৮০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন নাসির। এবার সেটাকেই ছাড়িয়ে গেলেন ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বিকেলে এসে। সর্বশেষ এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে নাসির ওপেনিং ও তিন নম্বরে সফল হয়েছিলেন। ঢাকার হয়ে তিন নম্বরে নাসির এমন ইনিংস শেষে আক্ষেপের সুরেই বলেছেন, 'আগে তো কেউ সুযোগ দেয় নাই তিন নম্বরে…!'
২১ বলে এদিন তুলে নিয়েছেন হাফ সেঞ্চুরি। এর আগের ৪ ম্যাচে অবশ্য ব্যাট হাসেনি নাসিরের। করেছিলেন মোটে ৪১ রান। তবে সর্বশেষ এনসিএল টি-টোয়েন্টিটা খারাপ যায়নি নাসিরের। তিন ম্যাচে হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। এর মধ্যে ফাইনালেও তার হাতে ওঠে ম্যাচসেরার পুরস্কার। সেখানেও ১১০ এর উপরে স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে ভালো অবস্থানে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।
বিপিএলে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে নাসির বলেছেন, 'ভালো লাগছে। কারণ আপনি যেখানেই পারফর্ম করেন না কেন, ভালো করলে ভালোলাগেই। টি-টোয়েন্টিতে আমার খুব ভালো লাগে ওপরে ব্যাটিং করতে। কারণ, ওই সময়টা একটু রান করা সহজ, পাওয়ার প্লের মধ্যে ৯টা ফিল্ডার (বৃত্তের)। তখন একটু ঝুঁকি নিলে যতটা সহজে রান করা যায়, পরে আর ততটা করা যায় না।'
পাওয়ার প্লেতে ব্যাটিং করা নিয়ে নাসির যোগ করেছেন, 'আমি সবসময় উপভোগ করি পাওয়ার প্লের মধ্যে ব্যাটিং করতে। আজকেও চেষ্টা করছি পাওয়ার প্লের মধ্যে যত বেশি সম্ভব রান করতে।' তিনি আরও বলেন, 'আমাদের দলের যে অবস্থা ছিল… আমরা পরপর দুই-তিনটা ম্যাচ হেরেছি। এই জয়টা দরকার ছিল, লক্ষ্য কম থাকাই ভালো। দল হিসেবে আমাদের জয়টা খুবই জরুরি ছিল মোমেন্টাম পাওয়ার জন্য।'