অ্যাশেজ শুরুর আগে সিরিজটি নিয়ে বড় প্রত্যাশা ছিল ইংল্যান্ড শিবিরে। ম্যাককালাম নিজেও এটিকে ‘জীবনের সেরা সিরিজ’ হিসেবে দেখেছিলেন। তবে মাঠের বাস্তবতায় সেই আশার প্রতিফলন ঘটেনি। মাত্র ১১ দিনের ব্যবধানে প্রথম তিন টেস্টে হেরে সিরিজ থেকে ছিটকে গেছে তারা।
এই ব্যর্থতার পর ইংল্যান্ডের খেলার ধরন এবং কোচের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এসব আলোচনা থেকে নিজেকে দূরে রাখছেন ম্যাককালাম। অ্যাডিলেইড টেস্টে হারের পর তিনি বলেন, 'এখানে আমার কাজটা দারুণ। বেশ আনন্দের। এই ছেলেদের নিয়ে সারা বিশ্বে ঘোরা এবং ভালো ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করাটাই আমার মূল লক্ষ্য।'
তিনি আরও বলেন, 'আমি চাকরি বাঁচানোর জন্য কিছু করি না। আমার কাজ হলো ক্রিকেটারদের কাছ থেকে সেরাটা বের করে আনা এবং দল হিসেবে কিছু অর্জনের চেষ্টা করা।'
২০২৭ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি থাকলেও ভবিষ্যৎ যে পুরোপুরি নিজের হাতে নেই, সেটাও স্বীকার করেন এই কোচ। আগামী মৌসুমে দায়িত্বে থাকবেন কি না, এমন প্রশ্নে তার জবাব, 'আমি জানি না। এটা আমার হাতে নেই। আমি শুধু নিজের কাজ ঠিকভাবে করে যেতে চাই।'
২০২২ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর বেন স্টোকসের নেতৃত্বে আক্রমণাত্মক টেস্ট ক্রিকেট খেলছে ইংল্যান্ড, যা ‘বাজবল’ নামে পরিচিত। শুরুতে সাফল্য এলেও সাম্প্রতিক সময়ে ফলাফল অনুকূলে নেই। ২০২৪ সাল থেকে টেস্টে জয়ের চেয়ে বেশি ম্যাচ হারতে হয়েছে দলটিকে।
অ্যাশেজ পুনরুদ্ধারের সুযোগ না থাকলেও ইংল্যান্ডের সামনে এখনও একটি রেকর্ড ভাঙার সুযোগ আছে। ২০১০-১১ মৌসুমের পর অস্ট্রেলিয়ায় কোনো টেস্ট জিততে পারেনি তারা। সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে সেই অপেক্ষা শেষ করার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে ইংলিশরা। মেলবোর্নে বক্সিং ডে টেস্ট শুরু শুক্রবার, সিরিজের শেষ ম্যাচ সিডনিতে ৪ জানুয়ারি।