দুই দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আইপিএল থেকে বাদ পড়ার পরই পিএসএলে যুক্ত হয়েছিলেন মুস্তাফিজ। নিলামের আগেই ৬ কোটি ৪৪ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে বাংলাদেশের তারকা পেসারকে দলে নেয় লাহোর। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সঙ্গে আগে থেকেই ছিলেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। এরপর নিলাম থেকে হারিস রউফ ও উবাইদ শাহকে দলে টানে বর্তমান ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। পেস বোলিংয়ে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল বানিয়েছে তারা।
শাহীন আফ্রিদি-হারিসের সঙ্গে মুস্তাফিজ থাকায় লাহোরের বোলিং লাইনআপ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। হায়দরাবাদ কিংসম্যানের বিপক্ষেও বল হাতে নিজের সহজাত বোলিং করেছেন মুস্তাফিজ। ৪ ওভারে ১৯ রান খরচায় নিয়েছেন এক উইকেট। মুস্তাফিজের বোলিংয়ে গতির বৈচিত্র্যের পাশাপাশি গেইম অ্যাওয়ারনেস, টেম্পারমেন্ট মনে ধরেছে রমিজের। পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটারের চাওয়া, দেশের তরুণরা যেন মুস্তাফিজের কাছ থেকে এসব শিখে নেন।
এ প্রসঙ্গে রমিজ বলেন, ‘লাহোরের কাছে হারিস আছে, শাহীন শাহ আফ্রিদি আছে। মুস্তাফিজ আসায় অনেক পার্থক্য তৈরি হয়েছে। ৮ বছর পর কালান্দার্সের হয়ে দ্বিতীয়বার খেলছে, পিএসএলেও দ্বিতীয়বারের মতো এসেছে। সে গতির পরিবর্তন করতে পারে, অধিনায়ককে ভরসা দিতে পারে। ম্যাচের যেকোনো পর্যায়ে এসে বোলিং করতে পারে। আপনি তাকে অ্যাগ্রেসর হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন, আবার ডিফেন্সিভ বোলার হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। মুস্তাফিজের টেম্পারমেন্ট রক সলিড। আমি তো বলব আমাদের যারা তরুণ পেস বোলার আছে তারা মুস্তাফিজের কাছ থেকে শিখো টেম্পারমেন্ট ও গেইম অ্যাওয়ারনেস আসলে কী।’
মুস্তাফিজের পাশাপাশি রাইলি মেরেডিথ, ড্যানিয়েল স্যামস, অ্যারন হার্ডি, পিটার সিডলের মতো পেসাররা খেলছেন। তবে বর্তমান টি-টোয়েন্টির যুগে তাদের সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন বাংলাদেশের মুস্তাফিজ। আইপিএল খেলছেন নিয়মিতই, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন লিগেও সুযোগ হচ্ছে। বাংলাদেশের উইকেটের বাইরে গিয়েও নিয়মিতই পারফর্ম করছেন তিনি। রমিজ মনে করেন, মুস্তাফিজের কারণে লাহোরের বোলিং আরও শক্তিশালী হয়েছে।
রমিজ বলেন, ‘আমি তো এটাও চাইব যত দেশের পেস বোলার আছে, বিশেষ করে যারা টি-টোয়েন্টি খেলে তাদের সঙ্গে বসে পেস বোলিং নিয়ে আলোচনা করুক। তাদের কাছ থেকে শেখাটা খুবই জরুরি। কারণ সে প্রতিটা পিচে, প্রতিটা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে...এমন না যে সে ছোট দলের বিপক্ষে ভালো বোলিং করে। প্রতিটা শীর্ষ পর্যায়ের দলগুলোর সঙ্গে সুন্দর বোলিং করে। তার কাছে আইপিএলের অভিজ্ঞতা আছে, এখানেও খেলবে। এই কারণে লাহারের দল অনেক শক্তিশালী হয়ে গেছে। কারণ তাদের বোলিং অনেক শক্তিশালী।’