নোয়াখালীর কাছে হেরে রফিক বললেন, ‘এটা পার্ট অব দ্য গেম’

বিসিবি
বিসিবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বিপিএলের প্রথম ছয় ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি নোয়াখালী এক্সপ্রেস। হারের বৃত্তে ঘুরতে থাকায় টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে খালেদ মাহমুদ সুজনের দল। অথচ সেই দলের বিপক্ষেই হোঁচট খেয়েছে লিটন দাস, তাওহীদ হৃদয়, কাইল মেয়ার্স, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ডেভিড মালানের মতো তারকা ক্রিকেটারদের নিয়ে গড়া রংপুর রাইডার্স। এমন হারের জন্য ব্যাটিং ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন মোহাম্মদ রফিক। রংপুরের স্পিন বোলিং কোচের কাছে নোয়াখালীর বিপক্ষে হার খেলারই অংশ।

টুর্নামেন্টের সবশেষ আসরে রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য ছিল রংপুর। বিপিএলের প্রথম ৮ ম্যাচের সবকটিতে জয় পেয়েছিল তারা। অজেয় হয়ে ওঠা রংপুর সেই মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশালকে হারায় দুই ম্যাচেই। কেউই যখন পেরে উঠতে পারছিল না তখন রংপুরের জয়রথ থামায় দুর্বার রাজশাহী। তাসকিন আহমেদ ও এনামুল হক বিজয়দের ফ্র্যাঞ্চাইজির কাছে দুই দেখাতেই হারে রংপুর।

চলতি আসরেও সময়টা ভালো যাচ্ছিল রংপুরের। প্রথম পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জিতে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে ছিল তারা। বিপরীতে ছয় ম্যাচের সবকটিতে হেরে তলানি নোয়াখালী। অথচ সেই দলের বিপক্ষেই হেরে বসেছেন নুরুল হাসান সোহানরা। দুর্দান্ত বোলিংয়ে নোয়াখালীর জয়ের নায়ক হাসান মাহমুদ। রংপুরের স্পিন বোলিং কোচ রফিক জানালেন, বড় দলগুলো ছোট দলের কাছে এসেই হোঁচট খায়।

এ প্রসঙ্গে রফিক বলেন, ‘এটা (নোয়াখালীর কাছে হার) আসলে পার্ট অব দ্য গেম। এটা (সারপ্রাইজিং কিনা) আপনারা বলতে পারবেন না। কারণ বড় দলগুলো দেখবেন এরকম ছোট ছোট দলের সাথেই ধরা (হেরে) খেয়ে যায়। আমরা যখন টিম মিটিং করি কোচ কিন্তু বলেছে দেখো, ‘এদের হারানোর কিছু নেই। কিন্তু আমাদের অনেক কিছু হারানোর আছে।’ দেখুন, আজকে আজকে সেটা কিন্তু প্রমাণ হলো।’

আগে ব্যাটিং করে সৌমর ৩১, জাকের আলী অনিকের ৩৮, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ২৮ ও হাবিবুর রহমান সোহানের ৩০ রানের ইনিংসে ১৪৮ রানের পুঁজি পায় নোয়াখালী। লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই উইকেট হারায় রংপুর। হৃদয় ও ইফতিখার আহমেদের ব্যাটে ধাক্কা সামলে জয়ের পথে এগোতে থাকে তারা। যদিও হাসানের শেষের বোলিংয়ের সঙ্গে পেরে উঠতে পারেনি। নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ৯ রানে হারতে হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

এমন হারে ব্যাটারদের শট নির্বাচনে দায় দেখছেন রফিক। তিনি বলেন, ‘আজকের আউটগুলো আপনারা দেখেছেন, সবগুলো কিন্তু ভুল শট চয়েজ (নির্বাচন) করতে যেয়ে আউট হয়েছি। আমি মনে করি খাতা-কলমে আমাদের যে দল হয়েছে... চেহারায় কিন্তু খেলা হয় না, খেলা হয় মাঠে। আমরা কিন্তু ওইদিক দিয়ে পেছনে আছি।’

ব্যাটারদের দায় দিয়ে স্পিন বোলিং কোচ আরও যোগ করেন, ‘দেখুন, টার্গেটটা কিন্তু মোটামুটি ভালোই ছিল। এক নম্বর হলো প্রত্যেকটা ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে আমরা ভালো করতে পারছি না। এখান দিয়ে একটু পিছিয়ে যাচ্ছি। তারপর আবার দেখা যাচ্ছে মাঝে একটা-দুইটা উইকেট গেলে ওইখানে আবার স্লো হয়ে যাচ্ছে। সবমিলিয়ে আমাদের ব্যাটিংটা একটু খারাপ হচ্ছে।’

আরো পড়ুন: