আগে ব্যাটিং করে সৌমর ৩১, জাকের আলী অনিকের ৩৮, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ২৮ ও হাবিবুর রহমান সোহানের ৩০ রানের ইনিংসে ১৪৮ রানের পুঁজি পায় নোয়াখালী। পরবর্তীতে প্রথম জয় পেতে বাকি কাজটা সেরেছেন বোলাররা। বিশেষ করে হাসান ছিলেন দুর্দান্ত। ৪ ওভারে মাত্র ২৬ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়ে হয়েছেন ম্যাচসেরা।
প্রথম জয়ের পর অনুভূতি জানাতে গিয়ে হাসান বলেন, ‘অবশ্যই হারাটা অত ভালো না। কিন্তু আমরা চেষ্টা করেছি যে সব খেলোয়াড়রা যাতে ভেঙে (মানসিকভাবে) না পড়ে। প্রত্যেকদিন অনুশীলনে তাদের সেরাটা দিয়ে এবং প্রত্যেকটা ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকে। আমরা আসলে জেতার জন্যই মাঠে নামি। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ছয়টা ম্যাচ চলে গেছে, কিন্তু কামব্যাক করতে পারছি এই ম্যাচে।’
বিপিএলের নিলামের কয়েক দিনে আগে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে যুক্ত করা হয় নোয়াখালীকে। প্রথমবার বিপিএলে দল পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেশ রোমাঞ্চিত ছিলেন শহরটির সমর্থকরা। নিলামের আগে সৌম্য, হাসান, কুশল মেন্ডিস ও জনসন চার্লসের মতো ক্রিকেটারদের দলে টানায় ভালো পারফরম্যান্সের স্বপ্নে বিভোর ছিলেন তারা। চোটের কারণে বিপিএল খেলতে আসেননি মেন্ডিস।
অজানা কারণে নোয়াখালীর হয়ে দেখা যায়নি চার্লসকে। ব্যক্তিগত কারণে চারটি ম্যাচ খেলতে পারেননি সৌম্যও। এমন অবস্থায় একের পর এক হারে বিপাকে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। অথচ দলটিকে সমর্থন দিতে নোয়াখালী শহর থেকে বাস নিয়ে সিলেট শহরে পৌঁছে গিয়েছিলেন দর্শকরা। তাদের সবারই অবশ্য খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। হাসান জানালেন, ম্যাচ হারলে তাদেরও খারাপই লাগে।
ডানহাতি এই পেসার বলেন, ‘ম্যাচ হারলে তো সবারই খারাপ লাগে। উনারা আমাদের সমর্থন করছে সেই প্রথম ম্যাচ থেকে। মাঠে আসছে, আমাদেরকে সাপোর্ট করছে। ম্যাচ হেরে তারা কষ্ট পেয়েছেন। তবে আমি বলব যেন আমাদেরকে এভাবেই সাপোর্ট করতে পারেন যেন, পরের ম্যাচগুলোয় জয় উপহার দিতে পারি।’
সেরা চারে যাওয়ার সমীকরণ কঠিন হলেও প্রত্যেকটা ম্যাচে জয়ের জন্যই মাঠে নামতে চান হাসান। তিনি বলেন, ‘আজকে জয়ের পর আমরা চিন্তা করতেছি আমাদের জন্য প্রত্যেকটা ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আজকে যেভাবে খেলেছি অবশ্যই বাকি ম্যাচগুলোতেও আমাদের একই এফোর্ট (চেষ্টা) থাকবে ইনশাআল্লাহ। আমরা চেষ্টা করব জয়ে নিয়েই মাঠ থেকে বের হতে।’