ফলে ম্যাচে ফেরে নোয়াখালী। পরের বলে সিঙ্গেন নেন সুফিয়ান মুকিম। তৃতীয় বলে বড় শটের নেশায় হাসানকে উইকেট দিয়ে আসেন রংপুরের হ্যাটট্রিক হিরো মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি। আর শেষ বলে হাসান মুস্তাফিজুর রহমানকে বোল্ড করে দিলে রংপুরের ইনিংস থামে ১৩৯ রানে। ফলে ৯ রানের জয় পায় নোয়াখালী। হাসান ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে দলটির সেরা বোলার।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে এদিন হ্যাটট্রিক তুলে নিয়েছেন রংপুর রাইডার্সের পেসার মৃত্যুঞ্জয়। শেষের আগুনে বোলিংয়ে নোয়াখালীর ইনিংস গুটিয়ে যায় দেড়শর আগেই। শেষ ওভারে মৃত্যুঞ্জয় একে একে ফিরিয়েছেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জহির খান ও বিলাল সামিকে। আর তাতেই ১ বল আগে নোয়াখালীর ইনিংস থেমে যায়। এর আগে মুস্তাফিজুরও হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন।
বাঁহাতি এই পেসার জাকের আলী ও মেহেদী হাসান রানাকে আউট করেন। এই দুই পেসারের তোপে ভালো শুরু পেলেও দেড়শর আগেই অল আউট হয়ে যায় নোয়াখালী। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৩৮ রানের ইনিংস খেলেছেন জাকের। যদিও এই ম্যাচে নোয়াখালীর শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। তারা পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৬৬ রান তুলে নিয়েছিল। যদিও তাদের ওপেনিং জুটি ভেঙেছিল মাত্র ২৫ রানে।
মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন দলটির ওপেনার শাহাদাত হোসেন দিপু। ৮ বলে ১৪ রান করে আউট হন তিনি। দিপুর বিদায়ের পর দলটির হাল ধরেন সৌম্য সরকার ও হাবিবুর রহমান সোহান। তাদের জুটিতেই পাওয়ার প্লেতে ঝড়ো শুরু পায় নোয়াখালী। তবে পাওয়ার প্লে শেষে দলীয় ৬৮ রানে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ১৬ বলে ৩০ রান করে কাটা পড়েন সোহান। তিনি শিকার হন মুকিমের বলে।
এরপর সৌম্য ৩১ আর মোহাম্মদ নবি ০ রান করে ফিরলে বিপদে পড়ে নোয়াখালী। হায়দার আলীও ফেরেন ১ রান করে। এক সময় দলটির সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ৮৪ রান। এরপর দলটির রান বাড়িয়েছেন জাকের ও অঙ্কন। দুজনে মিলে ৪০ বলে ৪৯ রান যোগ করেন ষষ্ঠ উইকেটে।
এই জুটির পরও শেষের ধসে আর রান বাড়াতে পারেনি নোয়াখালী। মুস্তাফিজ ১৮ রানে নেন ৩ উইকেট। আর হ্যাটট্রিক করা মৃত্যুঞ্জয় ৩ উইকেট নেন ৪৩ রানে। দুটি উইকেট নেন খুশদিল শাহ। আর একটি করে উইকেট নেন সুফিয়ান মুকিম ও নাহিদ রানা।