দ্বিতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ৪৩ রান নিয়ে দিন শেষ করেছিল বরিশাল। জয়ের জন্য ম্যাচে ফিরতে হলে তাদের সামনে ছিল প্রায় অসম্ভব সমীকরণ। তবে তৃতীয় দিনের শুরুতেই খুলনার বোলারদের সামনে আবারও পথ হারায় বরিশালের ব্যাটিং। শুরু থেকেই একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা।
দ্বিতীয় ইনিংসে বরিশালের হয়ে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ গড়েছেন হাফিজুর রহমান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯১ রান করেন তিনি। ৪৩ রান এসেছে রাফসান আল মাহমুদের ব্যাট থেকে। মোহাম্মদ সালমান হোসেন ইমন করেন ২৭ রান। এই তিনজন ছাড়া আর কেউ বলার মতো অবদান রাখতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৯৭ রানেই গুটিয়ে যায় বরিশালের ইনিংস।
খুলনার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন সফর আলী। একাই ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। শেখ পারভেজ জীবন পেয়েছেন ৩ উইকেট। সামিউন বশির রাতুল ২টি এবং আফিফ হোসেন ধ্রুব ১টি উইকেট নিয়েছেন। এর আগে প্রথম ইনিংসে খুলনা ৪২৬ রান করে। আফিফ তুলে নেন হাফ সেঞ্চুরি।
পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারে পারভেজ, আব্দুল হালিম ও সফর আলীর কার্যকর ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ পায় তারা। জবাবে খুলনার বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি বরিশাল। মাত্র ৯৪ রানে অলআউট হয় তারা। ৩৩২ রানের লিড পায় খুলনা।
এরপর বরিশালকে ফলোঅন করানোর সিদ্ধান্ত নেয় খুলনা। দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুতে দুই উইকেট দ্রুত হারিয়ে চাপে পড়ে বরিশাল। এরপর রাফসান ও ইমন কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও তা ম্যাচ বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না।