এই হারে ভারতের বোলিং আক্রমণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ভারতের পেস আক্রমণের গভীরতা ও বিকল্প বোলারদের মান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সাবেক ভারতীয় ওপেনার কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্তও মনে করছেন, বর্তমান বোলিং আক্রমণ নিয়ে বিশ্বকাপে সফল হওয়া কঠিন।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শ্রীকান্ত ভারতের বোলিংয়ের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, 'ভারতের বোলিং সামগ্রিকভাবে খুবই সাধারণ মানের। এই বোলিং নিয়ে বিশ্বকাপ জেতার কোনো সুযোগ নেই। গুরনুর ব্রার ও আনশুল কাম্বোজের মতো খেলোয়াড়দের নিয়ে এভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোনো যুক্তি দেখি না।'
তৃতীয় ওয়ানডেতে ভারতের ৩৫১ রান যথেষ্ট হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা রক্ষা করতে পারেনি বোলাররা। গুরনুর ব্রার ও আনশুল কাম্বোজ মিলে ১৮.১ ওভারে ১৪৬ রান দেন, নিতে পারেন মাত্র একটি উইকেট। শেষ দিকে কাম্বোজকে দিয়ে ওভার করানো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শ্রীকান্ত। তার মতে, দুই ওভার হাতে থাকা মোহাম্মদ সিরাজকে আরও আগে ব্যবহার করা উচিত ছিল।
তিন ম্যাচের সিরিজে ভারতের বোলিং দুর্বলতা দেখা গেছে প্রতি ম্যাচেই। প্রথম ওয়ানডেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৯৫ রান করেছিল, পরের ম্যাচে গুয়াহাটিতে ৪০৫ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে। শেষ ম্যাচে ৩৫২ রান তাড়া করে জয় পাওয়ায় তিন ম্যাচেই ভারতীয় বোলিংয়ের সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়েছে।
শ্রীকান্তের সমালোচনা থেকে বাদ যায়নি নীতিশ কুমার রেড্ডিও। শেষ ম্যাচে ব্যাট হাতে ১৬ বলে ৯ রান করার পর বল হাতে ৬.৫ ওভারে ৫০ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন তিনি। তাকে জোর করে অলরাউন্ডার বানানোর চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন শ্রীকান্ত। আট ওয়ানডেতে এখন পর্যন্ত নীতিশের শিকার মাত্র তিন উইকেট।
নীতিশকে নিয়ে শ্রীকান্ত বলেন, 'বল একটু বেশি বাউন্স করলেই নীতিশ কুমার রেড্ডি সমস্যায় পড়ে। তাকে মার খেতে দেখার পরও তারা বোলিং করিয়ে যাচ্ছে। কোনোভাবে তাকে অলরাউন্ডার বানানোর ব্যাপারে তারা একরোখা। ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য এটা ভালো লক্ষণ নয়। বাউন্সি উইকেটে তার ব্যাটিংও সন্দেহ তৈরি করে।'