নির্ধারিত সময়ের হিসাব অনুযায়ী ভারত নির্ধারিত ওভার থেকে চার ওভার পিছিয়ে ছিল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ পিছিয়ে ছিল দুই ওভার। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতি ওভার কম করার জন্য ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ করে জরিমানা করা হয়। দুই দলের অধিনায়কই অভিযোগ মেনে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি।
স্লো ওভার রেটের এই শাস্তির চেয়েও শেষ ম্যাচের ফল নিয়েই বেশি আলোচনা হয়েছে। প্রথম দুই ওয়ানডে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করা ভারত তৃতীয় ম্যাচে ৩৫১ রান করেও হেরে যায়। শাই হোপের অপরাজিত ১৬২ রানের ইনিংসে ৪৮.২ ওভারে ৩৫২ রান তুলে পাঁচ উইকেটে জেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই জয় তাদের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া করে জেতার রেকর্ড। ফলে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতলেও ভারতের বোলিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রথম দুই ম্যাচে বড় জয় পাওয়ার পর শেষ ম্যাচে ৩৫১ রানও ধরে রাখতে না পারায় বোলিং আক্রমণের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ব্যাট হাতে অবশ্য সিরিজটি দারুণ কেটেছে ভারতের অধিনায়ক শুবমান গিলের। তিন ম্যাচে ১১০, অপরাজিত ২২৩ ও ১ রান করে ৩৩৪ রান নিয়ে সিরিজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ১২, ১০৪ ও অপরাজিত ১৬২ রানে মোট ২৭৮ রান করে তালিকায় দ্বিতীয় হয়েছেন।
ওয়ানডে সিরিজ শেষ করে এবার টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে দুই দল। পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচ ৬ অক্টোবর লখনৌতে। এরপর রাঁচি, ইন্দোর, হায়দরাবাদ ও বেঙ্গালুরুতে হবে বাকি চার ম্যাচ। ১৭ অক্টোবর শেষ হবে সিরিজ।