নাইমের ১৩৫, সেঞ্চুরির পথে অমিত

এনসিএল
নাইম শেখ ও অমিত হাসান, ফাইল ছবি
নাইম শেখ ও অমিত হাসান, ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
নাইম শেখের সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩৪২ রান তুলেছে ঢাকা। যদিও ময়মনসিংহের সাথে তাদের এই ম্যাচ আগাচ্ছে ড্র এর পথে। আরেক ম্যাচে পুরো ইনিংসে ধীর-স্থির ব্যাটিং করলেও একের পর এক উইকেট হারাচ্ছিল সিলেট। কিন্তু এক প্রান্তে অবিচল থেকে সেঞ্চুরির দাড়প্রান্তে আছেন অমিত হাসান। তার ৯৪ রানের ইনিংসে ২০৮ রানের লিড নিয়েছে সিলেট। এখনো তাদের হাতে আছে ২ উইকেট।

৩ উইকেট হারিয়ে ১২০ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে ঢাকা। আগের দিনের রানের সাথে ৩ রান যোগ করতেই মাহফুফুজুর রাব্বির উইকেট হারায় তারা। এরপর ৮ রান করে ফিরে যান ঢাকা অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। অন্যপ্রান্তে আগের দিন রানে অপরাজিত থাকা নাইম এদিন তুলে নেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের দশম সেঞ্চুরি।

এরপর নাইমকে ভালো সঙ্গ দেন তাইবুর। নাইম ও তাইবুর মিলে গড়েন ৮২ রানের জুটি। ২০৬ বলে ৩ ছক্কা ও ১৩ চারে ১৩৫ রানের ইনিংস খেলেন নাইম। খালিদ হাসানের হাতে ক্যাচ বানিয়ে তাকে ফেরান আরিফুল ইসলাম। অন্যদিকে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন তাইবুর। রাকিবুল হাসানের বলে আউট হবার আগে ১৪৮ বলে ৯৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

শেষদিকে নেমে আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ৩৪ রানের ইনিংস খেলেন। দিনশেষে ১ উইকেট হাতে রেখে ৩৪২ রান তুলেছে ঢাকা। ময়মনসিংহের চেয়ে এখনো তারা প্রথম ইনিংসে ৪৫ রানে পিছিয়ে আছে। ময়মনসিংহের হয়ে রাকিবুল ৪ টি, শুভাগত ২ টি, এবং আবু হায়দার রনি, আজিজুল হাকিম রনি ও আরিফুল একটি করে উইকেট নেন।

আরেক ম্যাচে বিনা উইকেটে ৩৪ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করা আর ৪ রান যোগ করতেই জাকির হাসানের উইকেট হারায় সিলেট। ১৮ রান করা জাকিরকে ফেরান মেহেদী হাসান। খানিক বাদে ফেরেন আরেক ওপেনার সৈকত আলীও। ১২৫ বলে ৩ চারে ৩৬ রান করেন তিনি। এরপর সিলেটের হয়ে এক প্রান্ত আগলে রাখেন অমিত। কিন্তু অন্যপ্রান্তে উইকেট হারাতে থাকে তারা।

আসাদুল্লাহ গালিব ৪ রানে ও জাকের আলী অনিক ১০ রান করে আউট হন। নাসুম করে ১৯ রান। একে একে ৮ উইকেট হারালেও অন্যপ্রান্তে অবিচল ছিলেন অমিত। শেষ পর্যন্ত ১৯৮ বলে ৬ চারে ৯৪ রানে অপরাজিত ছিলেন অমিত। সিলেট তৃতীয় দিন শেষ করে ৮ উইকেটে ২৩৫ রান নিয়ে। রংপুরের হয়ে মেহেদী ও আবু হাশিম ২ টি করে এবং হাসিবুল সিয়াম, চৌধুরি মোহাম্মদ সালমান, আবদুল্লাহ আল মামুন ও স্বাধীন ইসলাম একটি করে উইকেট নেন। সিলেটের লিড এখন ২০৮ রানের।

আরো পড়ুন: