রাজশাহীর হয়ে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেছেন সাব্বির হোসেন। আর ২১ রান করেছেন এসএম মেহরব। দলটির আর কেউই ২০ রানের গণ্ডি পেরুতে পারেননি। মেহেদীর ৬ উইকেট ছাড়াও ৩টি উইকেট শিকার করেছেন সফর আলী। পাশাপাশি একটি উইকেট নিয়েছেন সামিউন বশির রাতুল। রাজশাহীর বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু পেয়েছিল খুলনা।
দুই ওপেনার এনামুল হক বিজয় ও আজিজুল হাকিম তামিম মিলে তুলেছিলেন ৪৪ রান। বিজয় ফিরেছেন ৩৭ বলে ২২ রান করে। তবে অন্যপ্রান্তে হাফস সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন আজিজুল। তিনি ৯৯ বলে ৫৫ রান করে দিনের খেলা শেষ করেছেন। আর কালাম সিদ্দিকী অপরাজিত আছেন ২৮ রান করে। দিন শেষে খুলনা রাজশাহীর চেয়ে পিছিয়ে আছে ১১ রানে।
দিনের অন্য ম্যাচে সিলেটের বিপক্ষে রানের পাহাড় গড়তে যাচ্ছে ঢাকা বিভাগ। নাইম শেখের সেঞ্চুরিতে ভর করে ২ উইকেটে ৩৪৩ রান করে প্রথম দিনের খেলা শেষ করেছে। এদিন আগে ব্যাটিংয়ে নেমে নাইম ও জিসান আলম মিলে ঢাকাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। দুজনে মিলে গড়েন ১৫৫ রানের জুটি।
জিসান ১৩২ বলে ৮১ রান করে ফিরলেও নাইম সেঞ্চুরি তুলে নেন। তিনি ২১৫ বলে ১৩১ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। এর আগে আশিকুর রহমান ১০ রান করে আউট হয়ে যান। বাকি সময়টা দেখেশুনে পাড়ি দিয়েছেন মার্শাল আইয়ুব ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। মার্শাল সেঞ্চুরির অপেক্ষা নিয়ে ১১১ বলে ৮০ রানে অপরাজিত আছেন। আর ৫৩ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত আছেন অঙ্কন। সিলেটের হয়ে দুটি উইকেটই নিয়েছেন নাসুম আহমেদ।