নিজে দায়িত্ব নিলেও ইংলিশ কোচদের উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন ফ্লেমিং। অবশ্য ফ্লেমিংয়ের সঙ্গী হিসেবে আছেন একাধিক ইংলিশ কোচ। ফ্লেমিংয়ের কোচিং প্যানেলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সাবেক ইংলিশ ওপেনার মার্কাস ট্রেসকোথিক। যিনি এ বছরের শুরুর দিকে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে টেস্ট দলের দায়িত্ব পালন করেছিলেন, যোগ দিয়েছেন কোচিং স্টাফে। তার সঙ্গে আছেন ইংল্যান্ডের সাবেক উইকেটকিপার জেমস ফস্টার ও সাবেক স্পিনার রিচার্ড ডসন। ইংল্যান্ড লায়ন্সের দায়িত্ব পেয়েছেন জোনাথন ট্রট।
সম্প্রতি ইংল্যান্ডের কোচিং নিয়ে বিবিসি রেডিও ফাইভ লাইভকে ফ্লেমিং বলেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, জাতীয় দলের কোচ হওয়া উচিত সেই দেশেরই কারও। এই সুযোগ পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। তবে কোচিংয়ের ক্ষেত্রে উন্নয়নের সুযোগ থাকবে, আমাদের কোচিং স্টাফের দিকে তাকালেই তা দেখতে পাবেন।’
যুগে যুগে ইংল্যান্ডের কোচরাই দেশটির জাতীয় দলের দায়িত্বে ছিলেন বিভিন্ন সময়ে। ১৯৯৯ সালের পর পিটার মুরস দুই দফায় ইংল্যান্ডের কোচ ছিলেন। এরপর ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইংলিশদের দায়িত্বে ছিলেন ক্রিস সিলভারউড। সাদা বলের কোচ ছিলেন অ্যাশলি জাইলসও।
বিদেশি কোচের মধ্যে দায়িত্ব পালন করেছেন ডানকান ফ্লেচার, অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার, ট্রেভর বেইলিস ও ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। ফ্লেমিং জানিয়েছেন সাবেক ইংলিশ কোচদের আবারও কাজ করার সুযোগ করে দেয়া হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় কাউন্টির কোচদেরও ডাকা হবে ইংল্যান্ড দলের বিভিন্ন ক্যাম্পে।
এ প্রসঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘ম্যানেজমেন্টে কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ফিরে এসেছেন, যা আমাকে আনন্দিত করেছে। তাদের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। কাউন্টি কোচদেরও নির্দিষ্ট সময়ে যুক্ত করা হবে। সাবেক খেলোয়াড়দেরও ফিরে এসে কাজ করার আমন্ত্রণ জানানো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এটি এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ, যেখানে আশপাশে থাকা যারা আছেন তাদের কাজে লাগানো হবে। একই সঙ্গে কাউন্টি ক্রিকেট ও ইংলিশ ক্রিকেটে যেসব বিষয় এগিয়ে নেয়া প্রয়োজন, সেগুলো নিয়েও কাজ করা হবে।’