ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ৯টি ডিসমিসালও করেছেন। একই টেস্টে সেঞ্চুরি, হাফ সেঞ্চুরি ও ৯ ডিসমিসালের বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন লিটন। এমন পারফরম্যান্সে জিতেছেন ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আইসিসির টেস্ট ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন লিটন।
তিন ধাপ এগিয়ে লোকেশ রাহুলের সঙ্গে যৌথভাবে ২৯ নম্বরে আছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার ব্যাটার। প্রথম ইনিংসে ডাক মারার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৮১ রান করেছেন মুশফিকুর রহিম। তবুও র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ পিছিয়েছেন তিনি। বর্তমানে ১৮ নম্বরে রয়েছেন মুশফিক। বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে তিনিই সবার উপরে আছেন।
পিছিয়ে গেছেন নাজমুল হোসেন শান্তও। প্রথম ইনিংসে ২৯ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৮২ রান করেছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। তবে এক ধাপ পিছিয়ে ২১ নম্বরে আছেন তিনি। দুই ইনিংসেই ব্যর্থ হওয়ায় ২ ধাপ পিছিয়ে ৩৭ নম্বরে আছেন মুমিনুল। দ্বিতীয় ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করা মিরাজ আগের মতোই ৬১ নম্বরে।
প্রথম ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরি করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে রান পাননি সাদমান ইসলাম। বাঁহাতি ওপেনার ৩ ধাপ পিছিয়ে ৬৭ নম্বরে নেমে গেছেন। দুই ধাপ পিছিয়ে গেছেন মাহমুদুল হাসান জয়। প্রথম ইনিংসে ৮৩ ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৩১ রান করেছিলেন তানজিদ হাসান তামিম। বাঁহাতি ওপেনার ১০ ধাপ এগিয়ে ৯২ নম্বরে উঠেছেন।
আবুধাবি টেস্টে বল হাতে সুবিধা করতে পারেননি তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি স্পিনার তিন ধাপ পিছিয়ে ১৮ নম্বরে নেমে গেছেন। তবে এক ধাপ এগিয়ে মিরাজ ২২ নম্বরে উঠেছেন। বড় লাফ দিয়েছেন হাসান মাহমুদ। ডানহাতি পেসার প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট ও দ্বিতীয় ইনিংসে এক উইকেট নিয়েছেন।
৬ উইকেট নিয়ে ৭ ধাপ এগিয়ে গেছেন হাসান। বাংলাদেশের পেসার বর্তমানে ২৮ নম্বরে আছেন। বিশ্রামে থাকা তাসকিন আহমেদ ২ ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৫১ নম্বরে। বিশ্রামে ছিলেন নাহিদ রানাও। তিনিও ২ ধাপ পিছিয়ে ৬১ নম্বরে নেমে গেছেন। আবুধাবি টেস্টে বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন ইবাদত হোসেন। দুই ইনিংসে ৭ উইকেট নিয়ে ১১ ধাপ এগিয়ে ৬৭ নম্বরে উঠেছেন।