দুই সপ্তাহের মধ্যেই নিজের জায়গা পুনরুদ্ধার করলেন রশিদ। জাপানে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে বল হাতে পারফর্ম করতে পারেননি আবরার। এ কারণেই রশিদের চেয়ে পিছিয়ে পড়েছেন আবরার। এই টুর্নামেন্টে ২ ম্যাচে একটি উইকেট পেয়েছিলেন পাকিস্তানের এই পেসার। অন্যদিকে রশিদ কোনো ম্যাচ না খেলেই শীর্ষে ফিরেছেন।
৭২০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছেন রশিদ। আর আবরারের পয়েন্ট ৭১৮। পাকিস্তানের আরেক অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নাওয়াজও পিছিয়ে গেছেন। তিনি চার ধাপ নেমে টি-টোয়েন্টির বোলারদের তালিকায় ১২ নম্বরে চলে গেছেন। আর সালমান মির্জা ৭ ধাপ পিছিয়ে ২৩ নম্বরে চলে গেছেন।
বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন ভারতের স্পিনার অক্ষর প্যাটেল। ১৬ ধাপ এগিয়ে তিনি উঠে এসেছেন ৭ নম্বরে। বাংলাদেশের নাসুম আহমেদ ৩ ধাপ এগিয়ে ৮ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন। শেখ মেহেদী ১০ ধাপ উন্নতি করে নবম স্থানে উঠে এসেছেন। ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়েও এসেছে বড় পরিবর্তন।
প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে শীর্ষ দশে জায়গা করে নিয়েছেন ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচে ক্যারিয়ারের প্রথম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করার পর ১৮ ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন ৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার।
একই ম্যাচে ফিফটি করা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার শেরফেন রাদারফোর্ডও এগিয়েছেন। ১০ ধাপ উন্নতি করে তিনি এখন টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে ৩৭ নম্বরে। ব্যাটারদের তালিকায় সেরা দশে আর কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাকে জায়গা করে দিতে ফিল সল্ট, পাথুম নিশাঙ্কা ও তিলক ভার্মা এক ধাপ করে নিচে নেমে যথাক্রমে ৮, ৯ ও ১০ নম্বরে অবস্থান করছেন।