ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৩৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে এক ধাপ এগিয়েছেন কোহলি। ৭৯৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ওয়ানডে ব্যাটারদের তালিকায় দুই নম্বরে উঠেছেন তিনি। শীর্ষে থাকা শুভমান গিলের রেটিং ৮১৬। একই ম্যাচে সেঞ্চুরি করা গিল অবশ্য নিজের শীর্ষস্থান আরও শক্ত করেছেন।
কোহলির ১৩৯ রানের ইনিংসটি ছিল তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৫৫তম সেঞ্চুরি। তার আগে ৮৬টি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি নিয়ে ব্যাটারদের মধ্যে তার অবস্থানও আরও শক্ত হয়েছে। র্যাঙ্কিংয়ে কোহলির ওপরে গিল, আর তার নিচে ৭৯৪ রেটিং নিয়ে আছেন নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল। রোহিত শর্মা আছেন চতুর্থ স্থানে।
শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিসও র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লিডসে ১২১ রানের ইনিংসের পর তিন ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ারসেরা সপ্তম স্থানে উঠেছেন তিনি। ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকও এক ধাপ এগিয়ে ১১ নম্বরে উঠেছেন। ৬৫০ রেটিং নিয়ে সেরা দশের খুব কাছেই আছেন তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পারফরম্যান্সও বদলে দিয়েছে র্যাঙ্কিংয়ের চিত্র। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করে টেম্বা বাভুমা ১০ ধাপ এগিয়ে ৩২ নম্বরে উঠেছেন। ম্যাথিউ ব্রিটজকে ১৯ ধাপ এগিয়ে ২১ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ৯৩ বলে ১৪২ রানের ইনিংস খেলা ডেভিড মিলারও র্যাঙ্কিংয়ে ফিরেছেন ৪১ নম্বরে।
বোলারদের তালিকায় সবচেয়ে বড় অগ্রগতি দক্ষিণ আফ্রিকার কেশব মহারাজের। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪/২০ ও ২/৫৪ নিয়ে তিন ধাপ এগিয়ে তিন নম্বরে উঠেছেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চার উইকেট নেওয়া কুলদীপ যাদবও চার ধাপ এগিয়ে পাঁচ নম্বরে। অস্ট্রেলিয়ার জশ হ্যাজেলউড দুই ওয়ানডেতে চার উইকেট নিয়ে পাঁচ ধাপ এগিয়ে ঢুকেছেন সেরা দশে, অবস্থান এখন দশম।
অলরাউন্ডারদের তালিকায় তিন ধাপ এগিয়ে ১৫ নম্বরে উঠেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মার্কো ইয়ানসেন। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডেতে ৯৪ রান ও তিন উইকেট নিয়েছেন তিনি। এদিকে এশিয়ান গেমসের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলোর পর টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের তালিকায় সাত ধাপ এগিয়েছেন নেপালের কুশল ভুর্তেল। তার অবস্থান এখন ২১ নম্বরে।