আচমকা টেস্ট দলে ডাক পাওয়ায় ম্যাডিসন নিজেও অবাক হয়েছেন। অণ্ডকোষের ক্যান্সারের কাটিয়ে ফিরেছেন এই অজি ক্রিকেটার। তিনি ১৯ মাস প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলেননি। এমনকি সর্বশেষ খেলা শেফিল শিল্ডেও তার গড় ছিল ১৮ এর নিচে। এমন পারফরম্যান্সের পরও তার অস্ট্রেলিয়া দলে সুযোগ পাওয়া বড় প্রশ্নের জবাব দিয়েছে।
সঠিক প্রক্রিয়া মেনে দল বাছাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার বড় সুনাম আছে। তবে ম্যাডিসনকে নেয়ার অস্ট্রেলিয়ারই সমালোচনা শুনতে হচ্ছে। সম্প্রতি ‘অল ওভার বার দা ক্রিকেট' পডকাস্টে ম্যাডিসনকে দলে নেয়ার প্রসঙ্গে নির্বাচকদের সমালোচনা করে হেইডেন বলেন, 'আমরা এখন এমন এক পর্যায়ে আছি, যেখানে আমরা ক্রিকেটের এই প্রজন্মে দেখা সবচেয়ে বড় মাঝারি মানের ক্রিকেটারদের তুলে ধরছি।'
২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি টেস্ট খেলে ২৭ রান করেছিলেন ম্যাডিনসন। পরে কয়েকটি মৌসুমে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি বেশ ভালো খেললেও সেই ধারা ধরে রাখতে পারেননি। সর্বশেষ মৌসুমে ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেননি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও তার পারফরম্যান্স আহামরি নয়। ১২৯ ম্যাচ খেলে প্রায় আট হাজার রান করেছেন প্রায় ৩৮ গড়ে।
মাঝারি মানের ক্রিকেটার নেয়ায় সমালোচনা করে তিনি যোগ করেন, 'যদি আমরা এই ধারণাটা ধরে রাখি এবং আশা করি যে, (প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে) ৩৫ গড়ের একজন খেলোয়াড় টেস্ট ক্রিকেটে ৫৫ গড় করবে… তাহলে (নির্বাচক) জর্জ বেইলি এবং টনি ডডেমেইড, আপনারা দিবাস্বপ্ন দেখছেন। আমি সহজভাবেই বলছি। আপনারা স্রেফ দিবাস্বপ্ন দেখছেন।'
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, 'আপনারা এই জঘন্য অজুহাতগুলো চাপিয়ে দিচ্ছেন। আমার মতে, আপনারা প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটকে অসম্মান করছেন। আপনারা এটা করতে উঠেপড়ে লেগেছেন। এমন ব্যাটসম্যানদের দলে নেওয়া উচিত যাদের গড় ৪৫ বা তার বেশি। কিন্তু আপনারা তা পারছেন না, কারণ তারা খেলতে চায় না।'