গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ব্যাটিংয়ে শুরুতেই বিপদে পড়েছিল বাংলাদেশ। একপর্যায়ে ১২ ওভারে ছয় উইকেট হারিয়ে দলের রান ছিল ৫৫। সেখান থেকে শারমিন আক্তারের ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। নাহিদা আক্তারের সঙ্গে অষ্টম উইকেটে ৪২ রানের জুটি গড়ে দলকে ২০ ওভারে ১০৩ রানে পৌঁছে দেন তিনি।
এরপর বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আমিরাতকে গুটিয়ে দেয় বাংলাদেশের বোলাররা। নতুন বলে চার ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে দুই উইকেট নেন মারুফা আক্তার। তার সঙ্গে স্পিনাররাও ছিলেন কার্যকর। রাবেয়া খান ১৪ রানে তিন উইকেট, সুলতানা খাতুন ১০ রানে এক উইকেট এবং ফাহিমা খাতুন ১৬ রানে এক উইকেট নেন।
ব্যাট হাতে ১৬ রান করার পর বল হাতে ১৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা হন নাহিদা আক্তার। বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে ২০ ওভারে ৬৯ রানেই থামে আমিরাতের ইনিংস। ৩৪ রানের জয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
আসন্ন সেমিফাইনালের আগে জ্যোতি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট দিনটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। তারা খুব ভালো দল ও খুবই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। আমরা অবশ্যই চেষ্টা করব আমাদের সেরা পারফরম্যান্স ওই দিনটিতে মেলে ধরার। তা করতে পারলে দিনশেষে ফলাফল মিলবেই।’
ভারতের বিপক্ষে অবশ্য বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাস খুব একটা সুখকর নয়। গত এশিয়া কাপের সেমিফাইনালেও ভারতের কাছে ১০ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। ২০২৩ এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালেও একই প্রতিপক্ষের কাছে থামতে হয়েছিল। ২০১৮ এশিয়া কাপ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে ভারতের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ।
তবু এবার নিজেদের সেরা দিনে ভারতকে হারানোর বিশ্বাস রাখছেন নিগার। তিনি বলেন, ‘আমরা স্রেফ আমাদের শতভাগ উজাড় করে দিতে চাই এবং মাঠে নিজেদের পারফরম্যান্স প্রদর্শন করতে চাই।’