প্রথম ওভারেই জোড়া আঘাত হেনে দারুণ শুরু করেন হাসান। পরপর দুই বলে দুই ব্যাটারকে ফিরিয়ে দেয়ার পর আরও দুটি উইকেট শিকার করেন এই ডানহাতি পেসার। তার বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই চাপে পড়ে ডার্বিশায়ার।
প্রথম দিনের খেলা শেষে হাসান বলেন, ‘সতেজ উইকেটে আমি শুধু লেংথে জোরে বল করার এবং যতটা সম্ভব কম রান দেয়ার চেষ্টা করেছি।’
হাসানের সঙ্গে বোলিং আক্রমণে ছিলেন খালেদও। ডার্বিশায়ারের প্রথম চার উইকেট ভাগাভাগি করে নেন বাংলাদেশের দুই পেসার। পরে আরও একটি উইকেট নিয়ে নিজের শিকার তিনে নেন খালেদ। সতীর্থের এমন কাউন্টি অভিষেকে খুশি হাসান।
হাসান বলেন, ‘বোলিং পার্টনার হিসেবে খালেদকে পাশে পাওয়াটা অবশ্যই ভালো ছিল এবং আমি তার জন্য খুব খুশি। কেন্টের হয়ে তার প্রথম ম্যাচেই সে তিনটি উইকেট নিয়েছে। আশা করি, পরের ইনিংসেও সে দারুণ করবে।’
কাউন্টিতে হাসানের পারফরম্যান্স অবশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে দুই ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়ে নজর কাড়েন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজেও কাউন্টিতে খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছিলেন এই পেসার। এবার তার সঙ্গে একই দলে খেলছেন খালেদ, যা বিশেষ অনুভূতি তৈরি করেছে হাসানের মনে।
হাসান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ খুব খুশি যে দুজন খেলোয়াড় কেন্টের হয়ে খেলছে। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ায় যা ঘটেছিল তার পরেও। তাই এটা আমাদের জন্য খুবই বিশেষ।’